মন্ত্রী জাকির হোসেনের উপর আইডি বিস্ফোরণকাণ্ডে খোদ তৃণমূলের বিধায়ককেই এনআইএর জেরার পরে নতুন জল্পনা তৈরি। রাজ্যের শ্রমদপ্তরের প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেনের উপর আইডি বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএ তদন্তভার হাতে নেওয়ার পরই ইতিমধ্যে ঘটেছে বড়োসড়ো কান্ড।

আরও পড়ুন, 'চরম খুশি আমি', প্রার্থী না হতে পেরেও উলটপূরাণ রায়গঞ্জের এক বিজেপি কর্মীর 

 

 

সূত্রের খবর, রীতিমতো নোটিশ জারি করে মুর্শিদাবাদের সুতি বিধানসভা এলাকার তৃণমূল বিধায়ক তথা মন্ত্রী জাকির হোসেনের বিরোধী গোষ্ঠী বলে এলাকায় পরিচিত ইমানি বিশ্বাসকে বৃহস্পতিবার টানা দিনভর কলকাতার এনআইএর আঞ্চলিক অফিসে রুদ্ধদ্বার জেরা করা হয়। যদিও এই ব্যাপারে শুক্রবার তৃণমূল বিধায়ক ইমানি বিশ্বাস ও তার অনুগামীদের  সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে  কোনও প্রতিক্রিয়া  মেলেনি। তবে এদিন স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২রা মার্চের পর থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশের পর তদন্তভার হাতে নিয়ে এনআইএর আধিকারিকদের হাতে বেশ কিছু মিসিং লিঙ্ক উঠে আসে। আর সেই সূত্রের ভিত্তিতে রাজ্যের মন্ত্রী জাকির হোসেনের ওপর আইডি বিস্ফোরণকাণ্ডে খোদ তৃণমূলের সুতি এলাকার বিধায়ক ঈমানী বিশ্বাসকে তলব করা হয় প্রথম দফায়। 

আরও পড়ুন, 'দিল্লিমে কেয়া কিয়া-লাড্ডু কিয়া', পাশকুড়া থেকে মোদীকে তোপ মমতার 

 

 


বিশেষ সূত্র মারফত জানা যায়, এনআইএ আধিকারিকরা মন্ত্রী অপর আইডি বিস্ফোরণকাণ্ডে ঈমানী বিশ্বাসকে করা প্রশ্নের উত্তরে সন্তুষ্ট না হওয়ায় পুনরায় তাকে তলব করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নিমতিতা স্টেশন ২ নম্বর প্লাটফর্মে রাতে মন্ত্রী অপরাধী বিস্ফোরণকাণ্ডে জাকির হোসেনসহ প্রায় ২৬ জন  জখম হন।এরপরই প্রথমে উচ্চ পুলিশ আধিকারিকরা তদন্ত শুরু করেন তারপরে সেই তদন্তভার গ্রহণ করে রাজ্যের সিআইডি আধিকারিকেরা। তদন্তে নেমে তারা সুতি রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা আবু সামাদ ও তাকে জেরা করে ঝারখান্ড থেকে শহিদুল শেখ নামের আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু এত ঘটনার পরেও এই আইডি বিস্ফোরণকাণ্ডে মূল চক্রি কে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা দেখা দেয়। তারপরেই তদন্তভার গ্রহণ করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এএনআই।