শুভেন্দু অধিকারীর কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আব্দুল্লাহ। শনিবার বেহালার একটি মিছিলে শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস যদি এবারও নির্বাচিত হয় তাহলে বাংলকে তারা কাশ্মীরে পরিণত  করবে। তার উত্তরে সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে তিনি শুভেন্দু আধিকারীকে এক হাত নেন ফারুক আব্দুল্লাহ। সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে ফারুক আব্দুল্লাহ নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, বিজেপি-ওয়ালাদের মতে ২০১৯ সালের অগাস্ট থেকে কাশ্মীর স্বর্গে পরিণত হয়েছে। তাই পশ্চিমবঙ্গ যদি কাশ্মীরে পরিণত হয় তাহলে আপনার আপত্তিটা কোথায়? ফারুক আব্দুল্লাহ আরও বলেন, 'যাই হোক বাঙালিরা কিন্তু কাশ্মীরকে ভালোবাসে,প্রতিবছরই প্রচুর বাংলি কাশ্মীরে বেড়াতে যায়। আর সেই কারণেই  তাঁর বোকা ও অযৌক্তির মনন্তব্যের জন্য তাঁকে ক্ষমা করে দিচ্ছেন।'

ভোট প্রচারে গিয়ে শুভেন্দ অধিকারীরা তৃণমূলের সমালোচনা করে সুর চড়িয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তৃণমূল কংগ্রেস বাংলাকে কাশ্মীর বানাতে আগ্রহী। তিনি আরও বলেছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় না থাকলে ভারত বাংলাদেশের মতই ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত হত।  বাংলা বাংলাদেশের অংশ হত বলেও মন্তব্য করেন বিজেপির নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী।  তাঁর কথায় শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায় না থাকলে আজ পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দাদের বাংলাদেশে বাস করতে হত। তাঁর ভাষণের এক বড় অংশ জুড়েই ছিল ধর্মীয় মেরুকরম। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোলা জয় বাংলা স্লোগান নিয়েও তীব্র কটাক্ষ করেছিলেন। বলেছিলেন তৃণমূল নেত্রী পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশে পরিণত করতে চাইছেন। আর সেই কারণে খেলা হবে জয় বাংলার মত স্লোগান আমদানি করছেন। 


শনিবার বিজেপি প্রথম দুটি দফার বিধানসভা ভোটের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। শুভেন্দু আধিকারীকে নন্দীগ্রামের প্রার্থী করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে নন্দীগ্রামের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে হবে হাইভোল্টেজ লড়াই।