প্রচার শেষ হল দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের। আর এক নাটকীয় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে নন্দীগ্রাম বিধানসভা আসনে প্রচার পর্বের পর্দা নামালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ১১ মার্চের পর থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমোকে দেখা গিয়েছিল হুইল চেয়ারে। মঙ্গলবার শেষবেলায় ফের নিজের পায়ে দাঁড়ালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

গত, ১১ মার্চ নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার কয়েক মিনিট  পরই বিরুলিয়া বাজার এলাকায় প্রচার করতে গিয়ে আহত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুর্ঘটনা না পরিকল্পনা করে হামলা - এই নিয়ে বিস্তর তর্ক বিতর্ক চলেছে সোমবার পর্যন্ত। তবে ভাঙা পায়ে প্লাস্টার নিয়ে হুইল চেয়ারে করেই একের পর এক সমাবেশ করেছেন।

এদিন, অবশ্য সভা শেষে জাতীয় সংগীত হওয়ার সময় মমতা জেদ ধরেন তিনি ভাঙা পা নিয়েই উঠে দাঁড়াবেন। তার দলের নেতা সুব্রত বক্সি এবং দোলা সেন, দলনেত্রীকে হুইলচেয়ার থেকে উঠে দাঁড়াতে সহায়তা করেন। জাতীয় সংগীত চলাকালীন পুরো সময়ই তিনি দাঁড়িয়েই ছিলেন। তবে দুই পায়ে এখনও তিনি দাঁড়াতে পারেননি। ভাঙা পা-টি তুলে এক পায়েই দাঁড়িয়েছিলেন মমতা।

১১ মে নন্দীগ্রামে রোড শো চলাকালীন পা ভেঙেছিলেন। টিএমসি প্রধান দাবি করেছেন যে এই আঘাতটি ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) ষড়যন্ত্রের ফলস্বরূপ হয়েছিল, প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন যে তিনি আহত হয়েছেন তার পা যখন গাড়িটির দরজাটি ভুল করে তাকে ভেঙে দেয়।