ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে মমতাকে রান্নার গ্যাস ইস্যুতে নিশানা মোদীর।  একদিকে যখন কলকাতায় ব্রিগেডের সভায় বাজিমাত করছেন মোদী, তখন অপরদিকে শিলিগুড়িতে মহামিছিলে মমতা। রবিবার প্রধানত মোদীর সভার দিনেই  রান্না গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মহিলাদের সঙ্গে নিয়ে মহামিছিলে যোগ দেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। আর এই জ্বালানীর মূল্য বৃদ্ধি প্রতিবাদ করতেই কোভিডের সময় মমতাকে গ্যাসের সুবিধার কথা মনে করান এবং বাংলায় যে তৃণমূলের সরকার কোনও উন্নয়নই করেনি তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেন মোদী।

আরও পড়ুন, 'মানুষের বিশ্বাস ভেঙেছেন দিদি', ব্রিগেডে মমতাকে নিশানার মোদীর 

 

 


এদিন ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে মমতাকে নিশানা করে মোদী বলেন, বাংলায় রান্নার গ্যাসের সুবিধা আগে দেওয়া হয়েছে। কোভিডের সময় বিনামূল্যে বাংলার মা-বোনেদের গ্যাস দান করা হয়েছে। বরং বাংলায় পানীয় জলের সুবিধা নেই। এই বলে তিনি কেন্দ্রীয় জল প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন। এবং বলেন, আমি চাই বাংলার প্রতিটি ঘরে পানীয় জলের নল প্রবেশ করুক, সকলে জল পাক। তিনি অভিযোগ জানিয়ে বলেন, স্বাধীনতার ৭৫ বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরেও আজও বাংলার দেড় কোটি ঘরে পানীয় জলের সুবিধা নেই। বাংলায় জল-জীবন মিশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখনও বাংলার প্রত্যন্ত গ্রামগুলির  বাচ্চা সহ গরীব পরিবার পানীয় জল খেয়ে আর্সেনিকে কবলে পড়েছে। 'এটা কী গরীবদের উপর অত্যাচার নয়', সঙ্গে প্রশ্নও ছুড়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী। এরপরেই বাংলায় প্রতিটি ঘরে পানীয় জল পৌছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মোদী।

 

 

আরও পড়ুন, মারব এখানে লাশ পড়বে শশ্মানে, ব্রিগেডের মঞ্চে দাঁড়িয়ে হুঙ্কার ফাটাকেষ্ট মিঠুন চক্রবর্তীর 

 

 

অপরদিকে এদিন শিলিগুড়িতে লাগাতার রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে মহিলা বাহিনীর সঙ্গে মহামিছিল করেন মমতা। বাংলার হেশেলে যে নাভিশ্বাস উঠেছে, তাঁর জন্য কয়েক ধরে মমতার নির্দেশে রাজ্যের একাধিক জায়গায় অভিনব ভাবে প্রতিবাদ চলে। কোথাও উনুন জ্বালিয়ে-গ্যাস উল্টিয়ে, কখনও আবার পেট্রোল জ্বালানীর মূল্যবদ্ধিতে প্রতিবাদ জানাতে ইলেকট্রিক স্কুটিতে নবান্নে যান মমতা।  মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে গ্য়াসের দাম বেড়েই চলেছে। কেন্দ্রীয় সরকার একাধিক প্রতিশ্রুতি দিলেও সেটা পূরণ হয়নি। গৃহস্থের বাড়ির দিনের পর দিন চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আমজনতার ওপর চাপ কমাতে প্রতীকী গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে চলবে মিছিল।