নির্বাচনে হেরে যাবেন। এই ভয় থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অশালীন মন্তব্য করছেন। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের পর একাথাই জানালেন বিজেপি নেতা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি বলেন প্রথম দফার ভোট গ্রহণ শান্তিপূর্ণ হয়েছে। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনও যেন শান্তিপূর্ণ হয় তারও আবেদন জানিয়েছেন কমিশনের কাছে। তিনি আরও বলেন শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ করতে নির্বাচন কমিশন যেন যাথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে সেই বিষয়েই কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন বুধবার থেকেই নন্দীগ্রামে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। গ্রামে ঢোকা ও বেরনোর তিনটি সীমানায় নাকা চেকিং শুরু হয়েছে। হেলিকপ্টারেও চলছে নজরদারী। রাজ্যের হটসিট নন্দীগ্রাম নিয়ে কমিশনেও একপ্রস্থ নালিশ জানিয়েছেন বিজেপি। নন্দীগ্রামের ওসিকেই নির্বাচনের দায়িত্ব পালন থেকে কমপক্ষে ৩৬ ঘণ্টা দূরে রাখারও আর্জি জানিয়েছেন বিজেপি নেতারা। 

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন ডায়মন্ড হারবার  ফলতা থেকে  হলদি নদী পার হয়ে নন্দীগ্রামে বহিরাগতরা ঢুকতে পারে। তিনি বলেন নন্দীগ্রামে চার দিন আরও টাকা ও শাড়ি ভর্তিএকটি নৌকা বাজেয়াপ্ত করেছে কোস্টাল পুলিশ। তারপরই বিজেপি আশঙ্কা করছে নন্দীগ্রামে ভোটের আগে বহিরাগতরা ঢুকতে পারে। নদী পথে অনেক কিছু পাচার হয়েও নন্দীগ্রামে ঢুকতে পারে বলেও আশঙ্কা তার। আর সেই কারণেই তীবরবর্তী এলাকায় ফেরী সার্ভিস বন্ধ করে দেওয়ারও আর্জি জানিয়েছেন তিনি। এদিন নির্বাচন কমিশনের অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে দাঁড়িয়ে বহিরাগত তত্ত্বেরও ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন ভোটের আগে নির্বাচনী ক্ষেত্রে বাইরের লোকদের সেই এলাকায় ঢোকা নিষেধ করা জরুরি। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তা করছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন মমতা বিজেপির নেতা মন্ত্রীদের বহিরাগত বলছেন। কিন্তু ভারতীয় সংবিধানে বলা রয়েছে ভারতের নাগরিক দেশের যে কোনও স্থানেই যেতে পারেন। তিনি আরও বলেন শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য বহিরাগতদের গ্রেফতার করা জরুরি। দল নির্বিশেষে সকল বহিরাগতকেও গ্রেফতার করা জরুরি বলেও দাবি করেন তিনি। 

দ্বিতীয় দফার ভোটযুদ্ধে সামিল একগুচ্ছ তারকা, মমতা শুভেন্দু ছাড়াও নজর রয়েছে যে প্রার্থীদের দিকে ...

সবথেকে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে শুভেন্দু অধিকারী,নন্দীগ্রাম কি পাশে থাকবে ভূমিপুত্রের ..


ধর্মেন্দ্র প্রধান আরও বলেন সাংবিধানিক পদে বসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ভাষায় কথা বলছেন তা রীতিমত আপত্তিকর। তাঁর মন্তব্য সেন্সার করা উচিৎ বলেও দাবি করেন তিনি। বলেন ভোটের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ভাষাক কথা বলছেন তা পরিবেশকে অশান্ত করে তুলতে পারে। বিজেপির পক্ষ থেকে শিশির বাজোরিয়া বলেন হাওড়া, শিবপুর, লিলুয়া ও বেলুড়ের পুলিশ অফিসার বিজেপি প্রার্থীদের ধমকাচ্ছে আর চমকাচ্ছে। তাই ওসি বদলেরও আর্জি জানিয়েছেন তাঁরা।