ইভিএম থেকে শুরু করে দুর্ণীতি  একাধিক ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা  নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী  বাঁকুড়ার জনসভায় প্রচুর ভিড় হয় 

বাঁকুড়ার জনসভা থেকেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্যে চলা দুর্ণীতির অভিযোগ তুলে নিশানা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি বলেন, বিজেপি স্কিমেওর ওপর ভিত্তি করে পথ চলতে বিশ্বাসী আর তৃণমূল স্ক্যামের ওপর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, দুর্ণীতিমুক্ত প্রশাসনের জন্য় রাজ্যে বিজেপি সরকার খুবই জরুরি। তিনি বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে প্রথম গুরুত্বদেওয়া হবে রাজ্যের উন্নয়নকে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred
Scroll to load tweet…

প্রবল ভিড়ে ঠাসা বাঁকুড়ার জনভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন বর্তমানে ইভিএম নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না এই ইভিএমই ১০ বছর আগে তাঁকে বাংলার ক্ষমতায় এসেছিল। বিধানসভা নির্বাচনে তিনি তাঁর পরাজয় দেখতে পাচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আশা প্রকাশ করে বলেন, বাংলার বাসিন্দারা ইতিমধ্যেই ভয় দূর করে আসল পরিবর্তনের লক্ষ্যে ভোট দেওয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হয়ছেন। 

Scroll to load tweet…


প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, 'আমি দিদিকে যত প্রশ্ন করি তিনি ততই ক্ষিপ্ত হয়ে যান। এখন তিনি বলছেন, আমার মুখ দেখতে চান না।' তারপরই মোদী যোগ করেন গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে সর্বদা প্রশাসনকে প্রশ্ন করার জরুরি। এটি জনসেবা। যা পরীক্ষা করার মত বিষয় নয়।

বিজেপির দুই তারকা প্রার্থী পার্নো ও রুদ্র, সামনে অপেক্ষা করছে কঠিন লড়াই ...

করোনা আক্রান্ত লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, ভর্তি রয়েছে AIIMS হাসপাতালে ...
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এসে রাজ্যের উন্নয়ন হবে। কাটমানি বন্ধ হবে। তিনি আরও বলেন বর্তমানে যাঁরা দুর্ণীতির সঙ্গে যুক্ত তাঁদের জেলেও পুরবে বিজেপি সরকার গঠন করলে। তিনি বলেন তিনি নিজের মাথা দেশের জন্য উৎস্বর্গ করেছেন। তবে তৃণমূল কর্মীরা ভোট প্রচারের দেওয়ার তাঁর মাথার ওপর দিদির পায়ের ছবি আঁকছে বলেও উষ্মা প্রকাশ করে বলেছেন বাংলার পরিবর্তন হবে। এটা দেখতে পেয়ে দিদি ঘাবড়ে গেঠেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলার সংস্কতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন দিদির লোকজন দেওয়া লিখনে তাঁর মাথাটাকে নিয়ে ফুটবল খেলছে। এটাই কী বাংলার সংস্কৃতি আর এটাই বাংলার ঐতিহ্য।