৮ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর সভায় বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছিল। মঙ্গলবার হেঁড়িয়াতে শুভেন্দুর সভায় যাওয়ার পথে আক্রান্ত হয়েছিলেন বিজেপিপ কর্মী সমর্থকরা। প্রতিটি ক্ষেত্রে অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এবার শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ নেতা কনিষ্ক পাণ্ডা আক্রান্ত হলেন নন্দীগ্রামেই। দুষ্কৃতীরা তাঁর উপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনার জেরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয় এলাকায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় নিজেকে প্রার্থী ঘোষণা করার পর থেকেই এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে বলে দাবি করলেন আক্রান্ত কনিষ্ক পাণ্ডা।

আরও পড়ুন-'দেশ কি গদ্দারো কো, গোলি মারো শালো কো', স্লোগান উঠল এবার শুভেন্দুর মিছিলে

সূ্ত্রের খবর, নন্দীগ্রামে কলেজ মোড় থেকে বেরোনোর পরই তাঁর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। অতর্কিত হামলা চালানো হয়। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার খেজুরিতে শুভেন্দুর সভার আগেই বিজেপির নেতা কর্মীদের উপর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। ওই ঘটনায় জখম হন বিজেপির বেশ কয়েকজন নেতা কর্মী। সেই ঘটনার রেশ কাটতে কাটতেই শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ নেতা কনিষ্ক পাণ্ডার উপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। 

আরও পড়ুন-'লালু এখন যেখানে আছেন, সেখানেই যাবেন উনিও', নাম না করে মমতাকে হুঁশিয়ারি দিলীপের

আক্রান্ত বিজেপি নেতা কনিষ্ক পাণ্ডা বলেন, ''একটা শোতে বিতর্কে ছিল। সেই শো শেষ হওয়ার পরই একশো থেকে দেড়শো জন ছেলে আমাকে ধরে বেধড়ক মারধর করে। জেহাদি কায়দায় ঘিরে ফেলে মারধর করা হয়। নন্দীগ্রামে বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি হওয়ায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছে। শুধু মমতা দাঁড়াবেন বলেছেন, তাতেই এই উত্তেজনা। আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে হারাব''। মন্তব্য বিজেপি নেতার। কার্যত এই ঘটনায় নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে পুলিশ প্রশাসন এমনই অভিযোগ বিজেপি তমলুক সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অনুপ চক্রবর্তীর।