বর্ষবরণে শুভেন্দুর জোড়া সভা বাংলায়। পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম এবং কাঁথিতে জোড়া সভা করবেন শুভেন্দু। শুক্রবার সকাল  ১১ টা নাগাত তাঁর প্রথম সভা নন্দীগ্রামের সোনাচূড়ায়। তারপর বাসে করে বজরং পুজো দেখতে যাওয়ার পথে তৃণমূলের হামলার মুখে পড়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছিলেন শুভেন্দু অনুগামীরা। সেই সমস্ত আহত মানুষদের পাশাপাশি এলাকার প্রায় ৫ হাজার সমর্থকদের নিয়ে সোনাচূড়ায় সভা করবেন শুভেন্দু। 


পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম এবং কাঁথিতে জোড়া সভা করবেন শুভেন্দু। শুক্রবার সকাল ১১ টা নাগাদ তাঁর প্রথম সভা নন্দীগ্রামের সোনাচূড়ায়। উল্লেখ্য, গত বুধবার কাথির ডরমেটরি মাঠে বিশাল জমায়েত করেছিল তৃণমূল। ওই সভা থেকেই চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিলেন সৌগত এবং ফিরহাদ। তবে শুক্রবার বছরের প্রথম দিন যে একেবারেই অন্যভাবে আসছে রাজ্য-রাজনীতিতে, তার কারন একই সঙ্গে একাধিক জন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেবেন শুক্রবার।


প্রসঙ্গত,  শুক্রবার বিজেপিতে যোগ দেবেন শুভেন্দুর ভাই সৌম্যেন্দু। কাঁথির ডরমেটরি মাঠে বিজেপির কর্মীসভা রয়েছে শুভেন্দুর। নতুন বছরের প্রথমদিনেই শুভেন্দুর হাত ধরে কাঁথিতে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন সৌম্যেন্দু অধিকারী।উল্লেখ্য, কিছু দিন আগেই  কাঁথির পুর প্রশাসকের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিল রাজ্য সরকার। প্রকাশ্য়েই এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর অপর ভাই, তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার খড়দহের সভা থেকে অভিষেকের কটাক্ষের পাল্টা জবাবে বলেন,' তোমার বাড়িতে ঢুকেও পদ্ম ফোঁটাব।' এর পরপরেই প্রশাসকের পদ থেকে সরানো হয় সৌম্যেন্দুকে।তবে শুধু সৌম্যেন্দুই নয় আরও অনেকই যে তৃণমূল ছেড়ে যোগ দিতে পারেন বিজেপিতে, তার আভাষ আগাম দিয়েছেন সৌমিত্র খাঁ।