ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই এই রাজ্যে বাড়ছে রাজনৈতিক হিংসা। মঙ্গলবার রাত নটা নাগাদ হুগলির চাঁপদানি এলাকায় বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ বিজেপি কর্মী প্রশান্ত রায়কে চন্দননগর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর ডান হাতে গুলি লেগেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। ঘটনার তদন্ত করেছে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটর ভদ্রেশ্বর থানা। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পলাশ ঢালি। 

পুলিশ জানিয়েছে প্রশান্ত বাবু যখন বাড়ি ফিরছিলেন তখন তার বাড়ির সামনে দুষ্কৃতিরা তার উপর হামলা করে। খুব কাছ থেকেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালান হয়। বিজেপির জেলা সম্পাদক কিষান সাউ এর  অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতিরাই প্রশান্তকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। কিছুদিন আগে চাঁপদানি পৌরসভা দুর্নীতি নিয়ে আন্দোলন করেছিলো বিজেপি। এই ইস্যুতে একটি মামলাও দায়ের করেছিলেন প্রশান্ত রায়। সেই কারণেই তাকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির। যদিও বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল, তাদের দাবি ,ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণেই এই ঘটনা ঘটতে পারে। পুলিশ তদন্ত করলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে।কি কারনে বিজেপি কর্মির উপর হামলা হল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।তবে বিজেপির দাবী এই পরিস্থিতিতে চাঁপদানীতে ভোট করা যাবে না।প্রতি বুথে অবশ্যই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিতে হবে।এখন থেকেই এলাকায় রুটমার্চ করাতে হবে।


হুগলিতে বিজেপি কর্মী আক্রান্ত হয়েছে। আর পুরুলিয়ায় তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমাবেশের পরেই বিজেপির রথযাত্রার একটি বাসে ভাঙচুর করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। বিজেপির অভিযোগ করে এই হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।