মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভার নেতরায় আইএসএফ প্রার্থী মইদুল ইসলামকে প্রকাশ্যেই আঙুল উঁচিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী তথা তৃণমূল প্রার্থী গিয়াসুদ্দিন মোল্লার বিরুদ্ধে। এদিন নেতরা হাই মাদ্রাসা বুথে আইএসএফ এজেন্ট বসতে দেওয়া হচ্ছে না, এই অভিযোগ পেয়ে ওই বুথে গিয়েছিলেন আইএসএফ প্রার্থী। এজেন্ট বসাতে গেলে প্রথমে রাজ্যপুলিশ তাঁকে বাধা দেয়, পরে দুই যুযুধান প্রার্থীই বুথের বাইরে বচসায় জড়িয়ে পড়েন।

এদিন সকলা থেকেই ওই বুথে বসতে পারেননি সংযুক্ত মোর্চা সমর্থিত আইএসএফ প্রার্থীর এজেন্ট।  মইদুল ইসলাম এলাকায় যেতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দিতে বলায় আইএসএফ প্রার্থীর সঙ্গে তৃণমূলের এজেন্ট ও পঞ্চায়েত প্রধান ওদুদ গাজির বচসা বাধে। সেইসময়ই কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনে রাজ্য পুলিশের সদস্যরা তাঁকে আঙুল উঁচিয়ে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ করেন আইএসএফ প্রার্থী। এর প্রতিবাদে বুথের বাইরে অবস্থানেও বসেছিলেন তিনি। সাফ জানিয়েছিলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি ২ ঘণ্টা বুথে বসতে পারেন, আমি কেন পারব না।'

এরপর অবস্থান বিক্ষোভ তুলে, এলাকার অন্য বুথে চলে গিয়েছিলেন তিনি। এরপরই ওই স্থানে আসেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা ও বর্তমান নির্বাচনে মগরাহাট পশ্চিমের প্রার্থী গিয়াসুদ্দিন মোল্লা। এরপর আইএসএফ প্রার্থী ফের ওই বুথে ফিরে আসেন। সেই সময়ই গিয়াসুদ্দিন মোল্লার সঙ্গে তাঁর বচসা বাধে। বিদায়ী মন্ত্রীকে রীতিমতো আঙুল উঁচিয়ে হুমকি দিতে দেখা যায়। এরপর সেখান থেকে চলে যান আইএসএফ প্রার্থী।

বিদায়ী মন্ত্রী গিয়াসুদ্দিন মোল্লা

গিয়াসুদ্দিন মোল্লার অভিযোগ, ওই বুথে শান্তিপূর্ণভাবেই ভোটদান চলছিল। তাতে বাধার সৃষ্টি করতে চাইছিলেন আইএসএফ প্রার্থী। অন্যদিকে, আইএসএফ প্রার্থী মইদুল ইসলামের অভিযোগ, ওই এলাকায় আগের রাত থেকেই এলাকার মানুষকে ভয় দেখানো হচ্ছে। ওই এলাকা 'অত্যন্ত সন্ত্রস্ত' এলাকা বলে দাবি করেছেন। তিনি আরও জানান, একদিকে তাঁর এজেন্টকে বসতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকী তাঁকেও বুথে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।