'বাংলার ঐতিহ্য-সংষ্কৃতি ধ্বংস করছেন' নাম না করে দিলীপকে আক্রমণ পার্থ  'বাংলায় বেকারত্বের হার কমছে'   চাকরী সুযোগ বাড়ছে বলেন শিক্ষামন্ত্রী

শুক্রবার শুভেন্দু সভার দিনেই ফের বিজেপিকে আক্রমণ করলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। 'সকালে ঘুম থেকে উঠে চা খেয়ে কীভাবে বাংলার সংষ্কৃতিতে কালি লাগানো যায় তার চর্চা চলছে' বলে নাম না করে দিলীপকে আক্রমণ পার্থর।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন, 'BJP ক্ষমতায় এলে বাংলায় লাভ জিহাদ বিরোধী আইন', নরোত্তমের হুঁশিয়ারিতে ক্ষোভ বিরোধীদের

'যাদের কোনও লক্ষ্য নেই' নাম না করে দিলীপকে আক্রমণ করে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এদিন বলেন, 'সকালে ঘুম থেকে উঠে চা খেয়ে খেয়ে ধ্বংস করো, কীভাবে বাংলাকে পিছিয়ে ফেলা যায়, কীভাবে বাংলার ঐতিহ্য-গরিমা-সংষ্কৃতিতে কালি লাগানো যায় তার চর্চা চলছে।' তিনি আরও বলেন, একজন কেউ এগিয়ে এসে বলছে না যে, বাংলায় আরও উন্নয়ন কীভাবে সম্ভব। কেউ বলছেন না যে বাংলায় বেকারত্বের হার কমছে। চাকরী সুযোগ বাড়ছে। জাতীয় স্তরেও যেখানে ৪৫ বছরের ওপরেও বেকারত্বের হার চূড়ায়। সেখানে আমরা এখানে আমাদের সাধ্য মতো কর্ম সংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছি। 'তাই কে প্রথম , কে দ্বিতীয় -এই লড়াই করবার আগে বাংলার মানুষকে ধ্বংস না করে বলা উচিত উন্নয়ন গর্জে উঠুক' বলে জানান পার্থ চট্য়োপাধ্যায়।

আরও পড়ুন, আজ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের প্রথম পর্যায়ের ড্রাই রান শুরু বাংলা জুড়ে, দেখুন ছবি


সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। আর দোরগড়ায় দাড়িয়ে একের পর এক দল বদল, সভায়-সভায় শাসক-বিরোধীদের বাকযুদ্ধ লেগেই আছে। প্রত্যেকেই কম বেশি তোপ দাগছেন। অপরদিকে তার পাল্টা জবাবও দিচ্ছেন নেতা-মন্ত্রীরা। তবে এই অবধি আর ঠেকে নেই, বাকযুদ্ধ কখনও কখনও শালীনতা ছাড়ানোয় কিংবা নাম জড়ানোয় সোজা মামলা ঠুকে দিচ্ছে একে-অপরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক শীর্ষ নের্তৃত্বরা। তবে শুভেন্দুর নন্দীগ্রামের সভার দিনেই ঠান্ডাভাবেই শুক্রবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে বিজেপির শীর্ষ নের্তৃত্বের দিকে বাক্য-বাণ ছুড়লেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যদিও এর আগেই শুভেন্দু উল্লেখ্য করেছেন বাংলার দুর্দশার কথা, বেকারত্বের কথা। প্রতিবছর এসএসসি সহ ২-৩ হাজার টাকার চাকরি আর থাকবে না, পড়তে হবে না অর্থকষ্টে বলেই দিয়েছেন তিনি। তাই ভরাডুবির আগে ফুটো নৌকায় যাতে জল না ঢোকে সেই চেষ্টা করছেন তৃণমূলের এই বর্ষীয়ান নেতা, বলে চাপান উতোর রাজনৈতিক মহলে।