একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রকট হয়ে উঠেছে মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এর জেরে নতুন জেলা কমিটি গঠন করতে গিয়েও ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এর জেরে ভৌট কৌশুলী প্রশান্ত কিশোরের নির্দেশে কলকাতায় এসে তৃণমূল ভবনে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছেন জেলার তৃণমূল নেতারা। পরিস্থিতি এতটাউ উদ্বেগজনক যে মুর্শিদাবাদের বিধায়ক ও সাংসদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক হাজির থাকলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়।

আরও পড়ুন-ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে মমতা বনাম বিজেপি, নাকি নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর প্রেস্টিজ ফাইট

 মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের কোন্দল এতটাই চরম আকার ধারন করেছে যে, এখনও জেলা ও ব্লক কমিটি ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি। শুধু তাই নয়, কোন্দল এড়াতে পুরনো ব্লক সভাপতিদের স্বপদে বহাল রাখার সিদ্ধান্তেও দলের অন্দরে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। ক্ষোভ রয়েছে শুভেন্দু অধিকারী অনুগামী বলে পরিচিত জেলা পরিষদের সভাধিপতি মোশারফ হোসেনকে নিয়েও। এই ব্যাপারে মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল সাংসদ তথা জেলা সভাপতি আবু তাহের খান বলেন," সামনেই বিধানসভা নির্বাচন তাই দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা, সাংসদ. বিধায়কদের নিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। আগামীদিনের রণকৌশল সহ আরো অনেক বিষয় সেখানে আলোচনা হবে"। 

আরও পড়ুন-শুভেন্দুর মিছিলে 'গোলি মারো' স্লোগান, পুলিশের ধরপাকড়ে গ্রেফতার ৩

এমনকি এসব নিয়ে গত সপ্তাহে মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীর কাছে অভিযোগ জানিয়ে আসেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। যদিও জেলা পরিষদের সভাধিপতি মোশারফ হোসেন মণ্ডল বলেন, ‘‘ বৃহস্পতিবারের মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে ডাক পেয়েছি। যা বলার নেত্রীর সামনে দলের অন্দরে সেখানেই বলব"। অন্যদিকে কংগ্রেস, বিজেপি ঘুরে গত ৬ অগস্ট ফের তৃণমূলে ফিরেছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী হুমায়ুন কবীরও। দলের যোগদানের পর থেকে রেজিনগরে বর্তমান বিধায়ক রেজাউল করিমের সঙ্গে দফায় দফায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন হুমায়ুন।