কলকাতার ভবানীপুর এলাকায় মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের বাড়ির পাশেই কর্পোরেশনের জল খেয়ে মৃত ২ এবং অসুস্থ বহু মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সেই জলে গন্ধ ছিল এবং সেই জল খাবার পর থেকেই এলাকার বহু মানুষ ডায়রিয়ায় ভুগতে থাকে। অনেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু তারই মধ্যে দুজনের অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে যাওয়ায় তারা মারা যান। তাদের মধ্যে একটি শিশুও আছে।

আরও পড়ুন, 'আমাদেরকে-সিপিএমকে ভোটটা দিন',কী ইস্যুতে 'গুলি মারা'র অভিযোগ তুলেও বামপন্থীদের বন্ধু বানালেন মমতা  

 

এই প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, ' মিডিয়া এটা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। আমি রিপোর্টটা দেখেছি এটা লিভার ফেইলিওর এর কেস। যেকোনও মৃত্যুই অত্যন্ত দুঃখজনক তা বলে এইভাবে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা ঠিক নয়। চারদিন আগে একটা লিকেজ হয়েছিল। কলকাতা পুরনো শহর সেখানে লিকেজ হতেই পারে। সেটা সারিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু চারদিন পরে সেই ঘটনাটাকে নিয়ে গুজব সৃষ্টি করা ইলেকশনের আগে ঠিক নয়।'

আরও পড়ুন, 'উন্নয়নের জোয়ারে ঝাড়গ্রাম আজ জঙ্গল সুন্দরী', SC-ST ইস্যুতে BJPকে নিশানা মমতার 

 

অপরদিকে, 'এগুলো কার নির্দেশে হচ্ছে এই সংবাদমাধ্যমগুলো কাকে সাপোর্ট করছে সেটাও একটা প্রশ্ন। তাহলে রোজ সারা কলকাতায় কতজন মারা যায়, তারা কি সবাই জল খেয়ে মারা যাচ্ছে' পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন ফিরহাদ। তিনি আরও বলেছেন, আমি হাসপাতালে রোগী সারা বছর ভর্তি করি। কারণ জনপ্রতিনিধি হিসেবে এটা আমার দায়িত্ব। মানুষ অসুবিধায় পড়লে তাঁর পাশে দাঁড়ানো আমার দায়িত্ব এবং সেটা আমি মৃত্যু পর্যন্ত দাঁড়াবো।'