বেশ কয়েক মাস ধরেই দূরত্ব বজায় রাখছিলেন পুরশুড়ায় মুখ্যমন্ত্রী জনসভাতেও ছিলেন না অবশেষে প্রজাতন্ত্র দিবসে বিস্ফোরক বিধায়ক দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে ছাড়লেন দুটি পদ

তাহলে কি শুভেন্দুকে অনুসরণ করছেন উত্তপাড়ার বিধায়ক? প্রজাতন্ত্র দিবসের দিনই দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেলেন। তারপর একসঙ্গে দুটি পদ থেকে ইস্তফা দিলেন। শুধু তাই নয়, সোমবার পুরশুড়ায় মুখ্যমন্ত্রীর জনসভাতেও গরহাজির ছিলেন তিনি। এবার দলের বিরুদ্ধে সরাসরি ক্ষোভ প্রকাশ করলেন উত্তরপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন-প্রজাতন্ত্র দিসবে রেড রোডে মমতা, দেশনায়ক-কে উৎসর্গ করে পথে হাঁটলেন মুখ্যমন্ত্রী

কয়েকদিন আগে বলেছিলেন মঙ্গলবার প্রজাতন্ত্র দিবসে বিশেষ ঘোষণা করবেন তিনি। পূর্ব ঘোষণা মতো এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করে কার্যত বোমা ফাটালেন তৃণমূল বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল। দলের বিরুদ্ধে একের পর এক ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। ছেড়ে কথা বলেননি দলীয় নেতৃত্বদেরও। জেলার একটি কলেজ উদ্বোধন করতে গিয়ে জটিলতা আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, ''আমি নিজে মুখ্যমন্ত্রীকে গোটা পরিস্থিতিটি জানিয়েছিলাম। উনি সমস্যা সমাধানের আশ্বাসও দিয়েছিলেন। আমার সামনেই শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়কে ফোন করে বিষয়টি দেখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু এখনও কিছুই ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি''। মুখ্যমন্ত্রীর কথা কেউ শোনে না বলেও অভিযোগ করেন উত্তরপাড়ার বিধায়ক।

আরও পড়ুন-পদ্মশ্রী তালিকায় ৭ জনের নাম থাকলেও, পদ্মভূষণ-পদ্মবিভূষণে এবার ব্রাত্য়ই বাঙালি

এদিন সাংবাদিক সম্মেলনও নিজের ক্ষোভের কথাও প্রকাশ করেন উত্তরপাড়ার বিধায়ক। বলেন, ''ভেবেছিলাম বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেব। কিন্তু বিধায়ক পদ না থাকলে সাধারণ মানুষকে হয়রানি শিকার হতে হবে। তাই সিদ্ধান্ত বদল করেছি। এরপরই জেলার দুটি গুরুত্বপূর্ণ দলীয় পদ থেকে ইস্তফা দেন। জেলা তৃণমূলের কোর কমিটি ও মুখপাত্রর পদ থেকে ইস্তফা দেন প্রবীর ঘোষাল। তিনি আরও বলেন, কাজ করতে পারছিলাম না। নিজেরে ব্রাত্য বলে মনে হয়েছিল। তবে দল ছাড়ব কিনা জানি না। সেসব ভাবিনি''। প্রবীর ঘোষাল দুটি দলীয় পদ ছাড়ার পরই গুঞ্জন শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তাহলে কি শুভেন্দুকে অনুসরন করে গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাবেন উত্তরপাড়ার বিধায়ক?