দল বেঁধে কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলেন জঙ্গলে, আর ফেরা হল না। সুন্দরববনে ফের বাঘের হামলায় প্রাণ হারালেন এক মৎস্যজীবী। খবর পাওয়ামাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছন বনদপ্তরের কর্মীরা। কিন্ত এখনও পর্যন্ত দেহ উদ্ধার করা যায়নি।

আরও পড়ুন: অন্ডালে ভয়াবহ ধসে মাটির গর্ভে চলে গেল বাড়ি, নিখোঁজ এক মহিলা

মৃতে নাম মানোয়ার মণ্ডল। বাড়ি,  সুন্দরবনে লাগোয়া জেমসপুর এলাকায়। বাঁচার তাগিদে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে জঙ্গলে কাঁকড়া ধরতে যান এলাকার সকলেই। ব্যতিক্রম নন মনোয়ারাও। শনিবার সকালে আরও তিনজন মৎস্যজীবীর সঙ্গে পীরখালির জঙ্গলে কাঁকড়া ধরতে যান তিনি। সঙ্গীরা জানিয়েছেন, নদীতে নামার আর সুযোগ পাননি, নৌকা থেকে মনোয়ারাকে টেনে নিয়ে যায় বাঘ। চোখের সামনে প্রাণহানি হয় ওই মৎস্যজীবীর। ঘটনার সময়ে নৌকায় ছিলেন আরও দুই জন। কিন্ত বাঁচানো তো দূর অস্ত, দেহটিও উদ্ধার করতে পারেননি তাঁরা।

আরও পড়ুন: আজ পশ্চিমবঙ্গের জন্মদিবস, স্বাধীনতার সে সময় কতটা সঙ্কটে ছিল বাংলা

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে চিতুরির জঙ্গলে কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলেন গোষ্ঠ নাইয়া নামে এক মৎস্যজীবী। বাঘের হামলায় মারা যান তিনিও। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে জঙ্গলে ফেলে পালিয়ে আসেন সঙ্গীরা। ঘটনাটি জানাজানি হতেই গ্রামবাসীরা দল বেঁধে হানা দেন জঙ্গলে। কার্যত বাঘের মুখ থেকে উদ্ধার করে আনা হয় ওই মৎস্যজীবীকে। কিন্তু তাঁকে বাঁচানো যায়নি। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের একই ঘটনা ঘটল পীরখালিতে। বনদপ্তরের দাবি, অনুমতি ছাড়া কাঁকড়া ধরতে গিয়ে বিপদে পড়ছেন মৎস্যজীবীরা।