কৌশিক সেন, রায়গঞ্জ: সদ্য মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিল কিশোরী মেয়েটি। কিন্তু, জীবনের পরের ধাপে পা রাখার আগেই থেমে গেল তার পথ চলা। রবিবার ভোরে উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া থানার সোনাপুর গ্রামপঞ্চায়েতের বসলামপুর এলাকায় উদ্ধার হল তার নিথর দেহ। আর এই দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে আগুন জ্বলল এলাকায়।

মৃতা কিশোরীর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, একদল দুস্কৃতীই ওই কিশোরীকে ধর্ষন করে তারপর খুন করে ফেলে রেখে গিয়েছে ওই স্থানে। সকাল থেকেই ঘটনার প্রতিবাদে ও দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে কয়েকশো স্থানীয় বাসিন্দা, চোপড়া-য় রাজ্য সড়ক ও ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করে। হাতে ঠিল বাঁশ লাঠির মতো অস্ত্রশস্ত্র। বিক্ষোভকারীদের দাবি যতক্ষন অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করা হবে ততক্ষন ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ চলবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ শনিবার রাতেই কিশোরীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল দুস্কৃতীরা। তারপর আর বাড়ি পেরেনি মেয়েটি। গোটা রাত তার উপর নারকীয় অত্যাচার চলেছে বলে সন্দেহ বসলামপুর গ্রামের বাসিন্দাদের। ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা সূত্রের মাধ্যমেই দূষ্কৃতীদের নাম পরিচয় স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তাঁরা।

এলাকায় তীব্র উত্তেজনার মধ্য়েই চোপড়া থানা থেকে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী। ওই কিশোরীর মৃতদেহ উদ্ধার করে তারা ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠিয়েছে ময়না তদন্তের জন্য। ঘটনার তদন্তও শুরু করেছে তারা। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে ঘটনাস্থল থেকে একটি সাইকেল, একটি ছাতা ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তের ক্ষেত্রে এই সূত্রগুলির গুরুত্ব খতিয়ে দেখা হচ্ছে।