পেশায় শিক্ষক। থাকতে চান ঘরজামাই,পাত্রীর বাড়ি হতে হবে উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে বড় শহর শিলিগুড়িতে। তবে সব চাইতে বড় চাহিদা পাত্রীর সম্পত্তি হতে হবে নিদেনপক্ষে ১০ কোটি টাকা। এক দৈনিক সংবাদপত্রে পাত্রী চেয়ে এই রকম  দেওয়া একটি বিজ্ঞাপনকে নিয়ে  বর্তমানে সোশ্যাল  মিডিয়ায় ঝড় উঠেছে।

নেটিজেনদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, এই ধরণের একটি বিজ্ঞাপন কী ভাবে একজন শিক্ষক দিতে পারেন? তাদের আরও দাবি ঘুরিয়ে পণ নেবার আগ্রহ প্রকাশ করা এই ব্যক্তিকে খুঁজে প্রশাসন গ্রেফতার করুক। 

সম্প্রতি, একটি  সংবাদপত্রে এই বিজ্ঞাপনটি পাত্রপাত্রী বিভাগে প্রকাশ হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে পাত্র একজন স্কুল শিক্ষক। তার মা পেনশনভোগী। বাড়িতে আর কেউ নেই। বয়স ৪২ বছর উচ্চতা ৫'৭"। পাত্রের দাবি, শিলিগুড়ির বাসিন্দা কোন উচ্চবিত্তের পাত্রীকে তিনি বিয়ে করতে ইচ্ছুক। যদিও সেই পাত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ হতে হবে কমপক্ষে ১০ কোটি টাকা। তিনি বিয়ের পর ওই বাড়িতে ঘরজামাই থাকতে ইচ্ছুক।

আরও পড়ুনঃ বানভাসি ডুয়ার্স! রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় সমস্যায় বাসিন্দারা

বিজ্ঞাপনটি প্রকাশ হতেই সেটি আগুনের মত ছড়িয়ে পড়ে।বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার পেজে দেদার শেয়ার হচ্ছে বিজ্ঞাপনটি।বিভিন্ন মানুষ ওই ব্যক্তিকে মানসিক বিকারগ্রস্ত বলেও মনে করছেন। ওই বিজ্ঞাপনে থাকা ফোন নম্বরে বারবার ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। অনেকেই মনে করছেন বিজ্ঞাপনটি প্রকাশ হওয়ার পর অনেকে তাকে বিদ্রুপ করার কারণেই তিনি ফোন বন্ধ করে রেখেছেন। এই বিষয়ে রায়গঞ্জের শিক্ষক সংগঠনের নাম প্রকাশে অনিচ্চছুক এক নেতা  বলেন, আমরাও ওই বিজ্ঞাপনটির বিষয়ে শুনেছি। এই বিজ্ঞাপন কে দিয়েছেন তা বলতে পারছি না। তবে তিনি শিক্ষক সমাজের নামে কলঙ্ক। তপন বসাক নামে শহরের এক শিক্ষক জানিয়েছেন,  ওই ব্যক্তি ঘুরিয়ে বিয়েতে পণ নেবার কথা বিজ্ঞাপন  দিয়ে জানিয়েছেন। আমাদের দাবি প্রশাসন তাকে খুঁজে বের করে গ্রেফতার  করুক।