দুর্ঘটনার পর প্রায় ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গিয়েছে। এখনও খোঁজ মিলল না সুন্দরবনে নিখোঁজ পর্যটকের। বিদ্যাধরী নদীতে তল্লাশি চালাচ্ছে সুন্দরবন কোস্টাল থানার পুলিশ।

যখন ইচ্ছে, তখনই ঘুরতে যাওয়া যায়। তবে প্রকৃতির শোভা উপভোগ করতে চাইলে শীতকালই আদর্শ সময়।  শীতের শুরুতে নদিয়ার চাকদহ থেকে সুন্দরবনে বেড়াতে এসেছিলেন সৈকত রায় নামে এক পর্যটক। কিন্তু আর ফিরতে পারলেন না, তলিয়ে গেলেন বিদ্যাধরী নদীতে।  

আরও পড়ুন: মদ্যপ অবস্থায় শ্বশুরবাড়িতে স্ত্রীকে গালিগালাজ, প্রতিবেশীর মারে প্রাণ গেল যুবকের

পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় ২৩ জন পর্যটককে নিয়ে কুলতলির কৈখালি থেকে সজনেখালির দিকে যাচ্ছিল একটি বোটে। সেই বোটে ছিলেন সৈকতও।  দুর্ঘটনা ঘটে সাতজেলিয়া এলাকায়। আচমকাই পা পিছলে বোট থেকে নদীতে পড়ে যায় ওই পর্যটক। চোখের নিমেষে খরস্র্রোতা বিদ্যাধরী নদীতে তলিয়ে যায় তিনি।  সৈকত রায়ের খোঁজে নদীতে তল্লাশি শুরু করেছে সুন্দরবন কোস্টাল থানার পুলিশ। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর খোঁজ মেলেনি। এদিকে যে বোট থেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে যায় সৈকত, সেই বোট ও বোটের মালিককে আটক করেছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগে সুন্দরবনে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের দেখা মিলেছিল। দোঁবাকি এলাকায় বাঘের দর্শন পান পর্যটকরা।  এমনকী, পিরখালি জঙ্গলেও একটি বিশালাকার কুমিরও দেখতে পাওয়া যায়।  এমনিতেই নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে সুন্দরবনের সবচেয়ে বেশি পর্যটকদের ভিড় জমে। তার উপর এবার শীতের শুরুতে বাঘের দর্শন মেলায় আশা বুক বেঁধেছিলেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত মানুষেরা। তারইমধ্যে ঘটে গেলে বিপর্যয়। এদিকে আবার ঘুর্ণিঝড় বুলবুলের জঙ্গলের অনেক জায়গাতেই ক্যাম্পের পাশে বেড়া ভেঙে গিয়েছে জানা গিয়েছে। বন্যপ্রাণীরা যাতে লোকালয় ঢুকে না পড়ে, সেদিকে নজর রাখছে বনদপ্তর।