Howrah shootout: হাওড়ায় গোলাবাড়ি খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অধরা ২ মূল অভিযুক্ত। তবে যে ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। 

হাও়ড়ার গোলাবাড়ির পিলখানায় প্রোমোটার খুনের পর কেটে গেছে ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময়। কিন্তু এখনও অধরা মূল অভিযুক্ত রোহিত হোসেন ও হারুন খান। এখনও তাদের সম্পর্কে কোনও তথ্য় পায়নি পুলিশ। তবে প্রোমোটার খুনে যে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদ করছে গোলাবাড়ি থানার পুলিশ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

গতকাল ভরা রাস্তায় সকলের সামনেই পরপর গুলি করে খুন করা হয়েছিল প্রোমোটার সৌফিক খানকে। এই ঘটনায় ধৃতরা হল মহম্মদ বিলাল, মহম্মদ ওয়াকিল এবং দিলদার হোসেন, যাদের কলকাতা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। নিহতের পরিবারের দাবি, তাঁর কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেছিল কয়েক জন। প্রোমোটার সেই টাকা দিতে চায়নি, আর সেই কারণে রাস্তায় পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করা হয় প্রোমোটারকে।

নিহতের পরিবারের দাবি, হারুন ও রোহিত গুলি চালিয়ে খুন করেছে সৌফিককে। বৃহস্পতিবার সৌফিকের পরিবার দাবি করেছে হারুন আগে আফগানিস্তানের কাবুলের বাসিন্দা ছিল। বছর সাতেক আগে হাওড়ায় আসে। তারপর থেকে সেখানেই স্থায়ীভাবে থেকে যায়। নিহতের পরিবারের দাবি হারুন এলাকায় একজন বড় ক্রিমিনাল হিসেবেই পরিচিত।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে হাওড়ার পিলখানা থার্ড লেনের একটি ফ্ল্যাটের পাঁচ তলায় থাকত হারুন। কিন্তু সেই ফ্ল্যাট এখন তালাবন্ধ। হারুনের পরিবারও নেই সেখানে। বহুতলের নিচেই একটি ক্লাব রয়েছে। সেই ক্লাবেই যাতায়াত ছিল হারুনের। বুধবার প্রোমোটারকে গুলি করার পরেই সেই ক্লাবে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। বৃহস্পতিবার সকালেও পিলখানা এলাকা ছিল থমথমে।

প্রোমোটার খুনের ঘটনা নিয়ে হাওড়া সিটি পুলিশের কমিশনার আকাশ মাঘারিয়া বলেন, “পিলখানা হত্যাকাণ্ডে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।” তবে তদন্তের স্বার্থে এই ব্যাপারে বেশি কিছু বলতে চাননি তিনি। মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার জন্য সব রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার।