সোনারপুরে বিক্ষোভের মুখে পড়ার পর তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে অ্যাপোলো ও বেলভিউ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে, গুরুতর আঘাত না থাকায় কোনও হাসপাতালেই তাঁকে ভর্তি করা হয়নি বলে জানানো হয়েছে।
অ্যাপোলোর পরে বেলভিউতেও ভর্তি নেওয়া হল না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। গুরতর কোনও আঘাত নেই বলেই ভর্তি নেওয়া হয়নি ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে বলে জানানো হয়েছে হাসপাতলের তরফে।

শনিবার বিকেলে সোনারপুরে এক নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ অভিষেককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। অভিযোগ, তাঁকে লক্ষ্য করে ‘চোর-চোর’ স্লোগান তোলা হয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কয়েকজনের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে জানা যায়। পাশাপাশি, পচা ডিম ছোড়ার অভিযোগও ওঠে।
বিশৃঙ্খলার মধ্যে অভিষেকের জামা ছিঁড়ে যায় এবং তাঁর চশমা ভেঙে যায় বলে সূত্রের খবর। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা হস্তক্ষেপ করেন। নিরাপত্তার স্বার্থে অভিষেককে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
এরপর তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পৌঁছে যান রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্ব। যদিও সূত্রের দাবি, অভিষেকের শরীরে গুরুতর কোনও আঘাতের চিহ্ন মেলেনি।
ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই ঘটনার নিন্দা করা হয়েছে, অন্যদিকে বিরোধী শিবিরও বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে।
