বিজেপির নেতা গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা ছড়াল কেশপুরে। দুই বিজেপির নেতাকে গ্রেফতারের পরই গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক তৃণমূল কর্মী। ঘটনার পিছনে বিজেপির হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করছে তৃণমূল। 

পুরনো মামলাতে শনিবার রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে কেশপুরের বিজেপি নেতা তন্ময় ঘোষ ও জাহাঙ্গির আলিকে ৷ কেশপুর থানার পুলিশ গ্রেফতার করলেও রাতেই কেশপুর থেকে মেদিনীপুর শহরে কোতয়ালি থানাতে নিয়ে আসা হয় তাদের ৷ রাতেই তাঁর খোঁজে বিজেপির ঘাটাল জেলার সভাপতি অন্তরা ভট্টচার্য সহ কর্মীরা মেদিনীপুর শহরের কোতয়ালি থানাতে হাজির হন। তৃণমূলের অভিযোগ,এরপরই কেশপুরে উত্তেজনা তৈরি হয় নতুন করে ৷ 

আরও পড়ুন : সেলিমকে পাল্টা তথাগতর,বিবেকানন্দ চাকরি না পেয়ে সন্ন্যাসী হয়েছিল

সূত্রের খবর, একসময় সিপিএমের দাপুটে নেতা তন্ময় ঘোষ কয়েকমাস ধরে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন ৷ ভারতী ঘোষের সঙ্গে বিভিন্ন সভা ও কর্মসুিচিতে দেখা গিয়েছে তাকে ৷  শনিবার তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ ৷ পরিবারের লোকেরা কেশপুর থানায় গিয়ে খোঁজ নিয়ে কোনও হদিশ পায়নি ৷ পরে জানতে পারে তাকে মেদিনীপুর শহরে কোতয়া থানাতে রাখা হয়েছে ৷ রাতেই বিজেপির ঘাটাল জেলার সভাপতি অন্তরা ভট্টচার্য সহ কর্মীরা কোতয়ালি থানাতে হাজির হন ৷ তাঁরা জানতে পারেন, একটি পুরনো মামলাতে তাকে গ্রেফতার করে রাখা হয়েছে ৷ অন্তরা ভট্টচার্য বলেন, পুলিশ আমাদের নেতাদের জব্দ করতে কোনও কারণ ছাড়াই গ্রেফতার করছে ৷ এর বিরুদ্ধে কেশপুরজুড়ে আন্দোলন সংগঠিত করব আমরা ৷  এরপরই রাত থেকে কেশপুরে উত্তজেনা তৈরি হয় ৷ 

আরও পড়ুন : নেশার জন্যই কি মাকে খুন, রায়গঞ্জে শিক্ষিকা মৃত্যুতে নয়া মোড়

তন্ময় ঘোষকে যে গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে সেই পাশের গ্রামগুলিতে উত্তজেনা তৈরি হয় বলে অভিযোগ ৷ রাতেই দলীয় কাজ সেরে ফেরার পথে তৃণমূলের কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই তৃণমূলের কর্মী সঞ্জয় সন্ন্য়াাসী নামে এক যুবকের বাঁ পায়ে গুলি লেগেছে ৷ রাতেই তাকে উদ্ধার করে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ৷ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা যুব তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি নির্মাল্য চক্রবর্তী বলেন, এই কাজ বিজেপির ৷ আমরা পুলিশে অভিযোগ করেছি ৷  ওদের অভিযুক্ত নেতাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে বলে আমাদের কর্মীদের ওপরে হামলা করেছে ওরা ৷  যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপি নেত্রী অন্তরা ভট্টাচার্যের দাবি,এটা তৃণমূলের দলীয় কোন্দল ৷ ওখানে আমাদের তেমন কোনও কর্মী নেই ৷ মিথ্যা মামলায় আমাদের কর্মীদের কাউকে ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে।