Alipurduar Crime News: যাত্রীরা নেমে যেতেই চলন্ত ট্রেনের কামরা ফাঁকার সুযোগ পেয়ে আদিবাসী অন্তঃস্বত্ত্বা গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে সিকিম-মহানন্দা এক্সপ্রেসে এক যুবক যাত্রীর বিরুদ্ধে। ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।
Alipurduar Crime News: মহানন্দা এক্সপ্রেসে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, আলিপুরদুয়ারে গ্রেফতার যুবক। রাতে সিকিম মহানন্দা এক্সপ্রেসে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনায় অভিযুক্ত গৌতম মাহাতো (৩০), বাড়ি অসমের রাঙ্গিয়ায়। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৪ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তকে রেল পুলিশের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে আলিপুরদুয়ার আদালতে।
ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?
জানা গিয়েছে, শামুকতলার বাসিন্দা ২০ বছরের পুনিয়া মুন্ডা দিল্লি থেকে মহানন্দা এক্সপ্রেসে বাড়ি ফিরছিলেন। অন্যদিকে, অভিযুক্ত গৌতম মাহাতো শিলিগুড়ি জংশন থেকে ওই ট্রেনে ওঠেন। তরুণী ছিলেন প্রতিবন্ধী কোচে। হাসিমারা স্টেশনে অধিকাংশ যাত্রী নেমে যাওয়ার পর কোচটি কার্যত ফাঁকা হয়ে যায়। অভিযোগ, এরপর ওই কোচে একা থাকা পুনিয়া মুন্ডাকে গৌতম মাহাতো টেনে বাথরুমে নিয়ে যান এবং সেখানে ধর্ষণ করেন।
অভিযোগ, কোচে অন্য কোনও যাত্রী না থাকায় তরুণীর চিৎকারও কেউ শুনতে পাননি। কিছুক্ষণ পর বাথরুম থেকে বেরিয়ে তরুণী চিৎকার শুরু করলে এক রেলকর্মীর নজরে আসে বিষয়টি। তিনি দ্রুত আলিপুরদুয়ার জিআরপিকে খবর দেন। হাসিমারা থেকে আলিপুরদুয়ার জংশনের মধ্যে ট্রেনটির কোনও স্টপেজ না থাকায় সোজা আলিপুরদুয়ার জংশনে পৌঁছয় মহানন্দা এক্সপ্রেস। সেখানেই রেল পুলিশ তরুণীকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত গৌতম মাহাতোকে গ্রেফতার করে।
Cal HC On Kunal Ghosh: সারবত্তা নেই কুণাল ঘোষের মামলার, বেলেঘাটার বিধায়কের আবেদন খারিজ হাইকোর্টে
পরে তরুণীকে চিকিৎসার জন্য আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, চিকিৎসা পরীক্ষায় তিনি প্রায় দু’মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়। তরুণীর বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি দিল্লিতে তাঁর দিদির কাছে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দিয়ে একাই ফিরছিলেন। বাড়িতে তাঁর স্বামী ও শাশুড়ি রয়েছেন। তাঁর স্বামী পেশায় শ্রমিক এবং তিনি গৃহবধূ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ট্রেনে যাত্রী নিরাপত্তা, বিশেষ করে নির্জন বা ফাঁকা কামরায় মহিলা যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তবে ঘটনাটি নিয়ে রেল পুলিশের তদন্ত চলছে এবং অভিযোগের সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


