অন্তঃস্বত্ত্বা মহিলাকে বেধড়ক মারধর বীজপুরে। আট মাসের অন্তঃস্বত্ত্বা মহিলাকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শনিবার রাতে ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছে বীজপুর থানার হালিশহর পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিবেকানন্দ পল্লীতে। 

আরও পড়ুন, 'পুরোটাই বিরোধীদের শাস্তি দিতে করা হচ্ছে', ভোট পরবর্তী হিংসার ইস্যুতে মমতাকে তোপ রাজ্যপালের 

 শনিবার রাতে ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছে বীজপুর থানার হালিশহর পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিবেকানন্দ পল্লীতে। ওই মহিলার বাবা ও মাকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, আক্রান্ত মহিলার ভাই সুমন দে বিজেপি কর্মী। যদিও সুমন নির্বাচনের আগে নিস্ক্রিয় হয়ে গিয়েছিলেন। স্থানীয়দের দাবি, ভাই বিজেপি করার অপরাধে দিদি ও বাবা-মায়ের ওপর হামলা দুষ্কৃতীদের। যদিও অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের। প্রসঙ্গত, ভোট পরবর্তী হিংসার বিরুদ্ধে শনিবার রাতেই জোরাল টুইট বার্তা দিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এই ইস্য়ুতে রিপোর্ট নিয়ে রাজ্যের সদ্য নিযুক্ত মুখ্যসচিবকেও তলব করেছেন তিনি। এদিকে এত দিন অবধি খবরে উঠে এসেছে, বিজেপির একাধিক কার্যকর্তা খুন। তাঁদের বাড়ি ভাঙচুর। এমনকি বিরাটির নিমতায় এক বিজেপি কর্মীর মাকেও ব্যপক মারধর করা হয় ভোটের আগে। এবং তারপর একমাস চিকিৎসাধীন থেকেও শেষ রক্ষা হয়নি। মারা যান ওই বৃদ্ধি। শালবনি, খেজুরি সহ একাধিক জায়গা থেকে ভোটের সময় হামলার খবর প্রকাশ্য়ে আসে। প্রতিবারেই বিজেপির উপর হামলায় ঘটনায় আঙুল ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তবে এবার রেহাই পেল না অন্তঃস্বত্ত্বা মহিলাও।
আরও পড়ুন, শীতলকুচিকাণ্ডে CID রিপোর্টে বাড়ল রহস্য, সোমবার ঘটনাস্থলে যাচ্ছে ব্যালেন্সিক টিম 

 

 রাজ্যের ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে  সদ্য নিযুক্ত মুখ্যসচিবকে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করছেন রাজ্যপাল। মমতাকে নিশানা করে শনিবার মধ্যরাতে টুইট করেন রাজ্যপাল জগদ্বীপ ধনখড়।  সেখানে একদিকে রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। অপরদিকে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে ট্য়াগ করে পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধেও বার্তা দিতে চেয়েছেন। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা বর্তমান পরিস্থিতিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসায় পুলিশ কার্যত কিছু করছে না বলেই অভিযোগ উঠে এসেছে। এবং তিনি নিজের বক্তব্যের সাপেক্ষে ভিডিও এবং অভিযোগপত্রও তুলে ধরেছেন।  টুইটে রাজ্যপাল লিখেছেন, ভোট পরবর্তী হিংসা যেভাবে চলছে, তা মানবতাকে লজ্জা দেবে। পুলিশ কিছুই করছে না। ফলে সাহস বাড়ছে। পুরোটাই বিরোধীদের শাস্তি দিতে করা হচ্ছে। '