Annapurna Bhandar News: বেশিরভাগ মহিলারাই অনলাইনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। কারণ, অনলাইনে কাজটা তুলনামূলক কিছুটা সহজ। কয়েকটি ডকুমেন্ট আপলোড করলেই প্রসেস এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু অফলাইনের ক্ষেত্রে বিষয়টা অনেকটাই আলাদা। একাধিক ডকুমেন্টকে একসঙ্গে করে নির্দিষ্ট অফিসে জমা দিতে হচ্ছে।

Annapurna Bhandar News: রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই একের পর এক ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করেছে। পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের জন্য অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়েও যথেষ্ট তৎপর তারা (annapurna bhandar news)। প্রসঙ্গত, অফলাইন এবং অনলাইন, দুটি মাধ্যমেই চলছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিলাপ (annapurna bhandar west bengal)। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

যদিও বেশিরভাগ মহিলারাই অনলাইনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। কারণ, অনলাইনে কাজটা তুলনামূলক কিছুটা সহজ। কয়েকটি ডকুমেন্ট আপলোড করলেই প্রসেস এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু অফলাইনের ক্ষেত্রে বিষয়টা অনেকটাই আলাদা। একাধিক ডকুমেন্টকে একসঙ্গে করে নির্দিষ্ট অফিসে জমা দিতে হচ্ছে। 

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে এবার নয়া বিজ্ঞপ্তি

তবে এবার অফলাইন ফর্ম ফিলাপের ক্ষেত্রে নয়া বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে রাজ্যের একটি পুরসভার তরফ থেকে। জানা যাচ্ছে, হুগলির চুঁচুড়া পুরসভার পক্ষ থেকে একটি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যে সমস্ত মহিলারা গত ৩ জুনের মধ্যে অন্নপূর্ণা যোজনা প্রকল্পের জন্য আবেদন জানিয়েছেন, তাদের জন্যই এই নির্দেশিকা। উল্লেখ্য, চুঁচুড়া পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের একাধিক পরিবার ফর্ম ফিলাপ করেছেন।

জানা গেছে, আবেদনের সঙ্গে আবেদনকারীদের আধার কার্ড, ভোটার কার্ড এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য জমা দিতে হয়েছে। তবে পুরসভার নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট পরিবারের সমস্ত সদস্যদেরই আধার কার্ড, ভোটার কার্ড এবং রেশন কার্ডের তথ্য জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। 

কী নির্দেশ এল পুরসভা থেকে?

অর্থাৎ, যারা ৩ জুনের মধ্যে আবেদন জানিয়েছেন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য, তাদের পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের ব্যক্তিগত ডকুমেন্টের ফটো কপি পুনরায় জমা দিতে হবে বলে চুঁচুড়া পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি যারা এই ডকুমেন্টগুলি এখনও জমা দেননি, তাদেরকে একটি সাদা কাগজে আলাদাভাবে আবেদনপত্র লিখে জমা দিতে হবে। সেখানে থাকবে পরিবারের প্রধান ব্যক্তির নাম, যিনি এই প্রকল্পের সুবিধা নেবেন তথা সুবিধাভোগীর নাম, ওয়ার্ড নম্বর এবং আগে জমা দেওয়া আবেদনপত্রে থাকা ফোন নম্বরটি। এইসব বিষয়গুলি উল্লেখ করতে হবে। 

আর এই তথ্যগুলি সরাসরি হুগলির চুঁচুড়া পুরসভা অফিসে জমা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। এক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ডকুমেন্ট জমা না দিলে পুরো আবেদনটিই বাতিল হয়ে যেতে পারে। তবে রাজ্যের অন্য কোনও পুরসভার তরফ থেকে এইরকম কিছু এখনও জানানো হয়নি। 

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।