গভীর রাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ঘিরে ফেলল কেন্দ্রীয় বাহিনী, তালা ভেঙে ঢুকল পুলিশ। সূত্রের খবর, বিশাল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছে শালবনি থানার পুলিশ। গিয়েছে মহিলা পুলিশকর্মীরাও।
গভীর রাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছাল পুলিশ। সূত্রের খবর, বিশাল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছে শালবনি থানার পুলিশ। গিয়েছে মহিলা পুলিশকর্মীরাও।

রবিবার রাত তিনটে নাগাদ তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেকের বাড়ির সামনে শালবনি থানার পুলিশ আসে। ঘটনাস্থলে আছে কালীঘাট থানার পুলিশও। বাড়ি ঘিরে ফেলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ান ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। বাড়িতে ঢোকার সময় বাধা পায় পুলিশ। তারপরই বাড়ির কোলাপসিবল গেটের তালা ভেঙে ফেলে ভিতরে ঢুকেছে পুলিশ।
জানা গিয়েছে, শালবনি থানার এক আপ্তসহায়কের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু হয়। তদন্তের অংশ হিসেবেই একাধিক জায়গায় পুলিশি তল্লাশি ও অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে গতকাল ফের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে গিয়েছিল সিআইডি। শুক্রবার বিকেলে গিয়েছিল সিআইডি। ভোট প্রচারের সময় উস্কানিমূলক মন্তব্য সংক্রান্ত একটি অভিযোগের তদন্ত এসেছিল সিআইডির তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, প্রথমে বাগুইআটি থানায় অভিষেকেরে একটি মন্তব্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। পরে সেই অভিযোগের তদন্ত করে বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম থানা। তারপরে সেই মামলা এসেছে CID-র হাতে। সূত্রের খবর, CID টিম অভিষেকের বাড়ি গেলেও অভিষেক বাড়ি ছিলেন না। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে মিটিং করতে গিয়েছিলেন। ফলে, বিকেলে CID নোটিস দিতে পারেনি। তাঁরা অপেক্ষা করছেন। আগামী সপ্তাহে অভিষেককে ডাকার সম্ভাবনা আছে।
এদিকে আবার বিধায়কদের সই জালের অভিযোগে অভিষেককে জেরা করতে চাইছিল সিআইডি। একাধিকবার নোটিস দেওয়া হয়। প্রথমে অসুস্থতা, তারপর দিল্লিতে থাকার কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়ান তিনি। এরই মধ্যে ক্যামাক স্ট্রিটে তাঁর দফতর এবং কালীঘাটে তৃণমূল কংগ্রেসের দফতরে তল্লাশি চালায় সিআইডি। এরপর গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কায় কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হন অভিষেক।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


