মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক হত্যা মামলায় সিবিআই বারাণসী থেকে বিনয় রায় নামক এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। এই নিয়ে এই মামলায় মোট গ্রেফতারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল পাঁচ। তদন্তকারী সংস্থার অনুমান, এই হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্রে ধৃত বিনয়ও যুক্ত ছিল।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক হত্যা মামলায় ফের সিবিআই-র জালে ফের এক। এই নিয়ে গ্রেফতার বেড়ে হল পাঁচ জন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক হত্যা মামলায় সিবিআই আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল। এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই সূত্রে খবর, ধৃতের নাম বিনয় রায়। বারাণসী থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। জানা গিয়েছে, হত্যার ষড়যন্ত্রে সেও যুক্ত ছিল। এতদিন পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে বারাণসীতে ছিল সে। গতকালই সেই অন্যতম ষড়যন্ত্রকারীকে আটক করে তদন্তকারী অফিসাররা।

বিনয় উত্তরপ্রদেশের গাজিপুর জেলার বাসিন্দা। তাকে গ্রেফতার করে পশ্চিমবঙ্গে আনা হয়েছে। এর আগে পুলিষ মায়াঙ্ক মিশ্র, রাজ সিং, ভিকি মৌর্য, রাজকুমারকে গ্রেফতার করেছিল। সূত্রের খবর, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বিনয়ের খোঁদ জানতে পারে পুলিশ। শেষে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারীদের অনুমান এই খুনের নেপথ্য়ে ছিল ছয় থেকে সাত জন। আপাতত ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। চলছে ঘটনার তদন্ত।
প্রসঙ্গত, পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ দিয়ে খুন করা হয়েছে চন্দ্রনাথ রথকে। মধ্যমগ্রামে বাড়ি যাওয়ার পথে, বাড়ির ১০০ থেকে ১৫০ মিটারের মধ্যে গাড়ি থামিয়ে গুলি করে খুন করা হয় শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত হলে ঘোষণা করে। হামলার সময় অন্তত ৬ থেকে ১০ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছিল। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে পর পর ৩টি গুলি করা হয়েছিল। বুকের বাঁ দিকে ২টি গুলি লাগে ও পেটে লাগে একটি। গুলি একেবারে হার্ট ফুটো করে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছিল, হামলাকারীরা হেলমেট পরে ছিল। তাদের গাড়িতে নম্বরপ্লেট ছিল না। এই হামলায় অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। প্রাথমিক ফরেন্সিক রিপোর্ট অনুসারে, হামলাকারীরা সম্ভবত গ্লক ৪৭ এক্স পিস্তল ব্যবহার করেছিল। এই খুনের ঘটনা শোরগোল ফেলেছিল সর্বত্র। এলাকায় তৈরি হয়েছিল আতঙ্ক।


