ধুতুরদহ, দেবীতলা, গোয়ালদহ,দেবীতলা অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই মহামারির মত ছড়াচ্ছে এই রোগ সরকারি  সাহায্য কোনও দেখা নেই এলাকাবাসীদের হিসাবে নূন্য়তম ২৭০ জন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বসিরহাট মহকুমার মিনাখাঁ থানাক গোয়ালদহ গ্রামে সিলোকোসিস আক্রান্ত হয়ে গ্রামীণ হাসপাতালে সোমবার ভোররাতে মৃত্য হল হাসানুর মোল্লার। হাসানুরের বয়েস হয়েছিল ৩২। সূত্রের খবর, ওই গ্রামে এখনও আক্রান্ত বেশ কয়েকজন। হাসানুর মোল্লার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বসিরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জানা গিয়েছে এর আগে ওই বাড়িতে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে দুইজন মারা যান। 

২০১০ সালে আয়লার পরে মিনাখাঁ গ্রামের বহু যুবক পাথর খাদানে কাজ করতে আসানসোল ও ঝাড়খণ্ডে গিয়েছিল। সেখানে কাজের কারণে পাথরের ধুলো ফুসফুসে জমে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় তাঁদের। চিকিৎসকরা ভাষায় এই রোগের নাম সিলিকোসিস। 

প্রসঙ্গত মিনাখাঁর ধুতুরদহ, দেবীতলা, গোয়ালদহ,দেবীতলা অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই মহামারির মত ছড়াচ্ছে এই রোগ। সরকারি সাহায্য কোনও দেখা নেই। এলাকাবাসীদের হিসাবে নূন্য়তম ২৭০ জন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। ইতিমধ্যে প্রাণ গিয়েছে ২৮ জনের। ২০১৭ সালের মে মাসে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেয় মিনাখাঁর সিলিকোসিসে মৃত পাঁচ পরপিবারকে ৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। সেইই শেষ । এর পরে কেউ কোনও প্রশাসিনক সাহায্য পাননি। যদিও প্রশাসন সূত্রে দাবি, ৯টি পরিবারকে সাহায্য করা হয়েছে। 

স্বাভাবিক ভাবেই শ্মশানের মত শান্ত গ্রামের কোনও উৎসাহ নেই রাজ্য রাজনীতির উৎরোল নিয়ে। জানেন না চিকিৎসক বনাম প্রশাসন ধুন্ধুমারের কথাও। প্রতিটি বাড়িতে মৃত্যুর ছায়া আর কান্নার ধ্বনি। নিয়তির হাতে জীবন ছেড়ে দিয়ে অপেক্ষমান তাঁরা।