জুলাই মাস থেকে রাজ্যে চালু হবে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প। জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, নাম নথিভুক্তিকরণের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। জুলাই মাস থেকেই 'আয়ুষ্মান ভারত কার্ড' বিতরণ করা সম্ভব হবে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের সঙ্গে যুক্ত এমন ৬ কোটিরও বেশি কার্ড হোল্ডারকে এখনই আয়ুষ্মান ভারতে নিয়ে যাওয়া হবে।
জুলাই মাস থেকে রাজ্যে চালু হবে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প। জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, নাম নথিভুক্তিকরণের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। জুলাই মাস থেকেই 'আয়ুষ্মান ভারত কার্ড' বিতরণ করা সম্ভব হবে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের সঙ্গে যুক্ত এমন ৬ কোটিরও বেশি কার্ড হোল্ডারকে এখনই আয়ুষ্মান ভারতে নিয়ে যাওয়া হবে। যাদের 'স্বাস্থ্যসাথী' কার্ড নেই, তাঁদের জন্যও বড় ঘোষণা করেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "যারা নতুন আয়ুষ্মান ভারতে যুক্ত হতে চান, স্বাস্থ্যসাথীতে যুক্ত হননি, তাঁদেরও সুযোগ থাকছে। জুন মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে দিল্লিতে আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরের চুক্তি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং ভারত সরকারের মন্ত্রী, আধিকারিকদের উপস্থিতিতে আমরা এটা করব। আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরের বেনিফিট শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গে থাকা স্থায়ী বাসিন্দারা নন, কর্মসূত্রে বা শিক্ষার জন্য বাইরের রাজ্যে থাকা মানুষও পাবেন।"

আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে বাংলার জন্য ৯৭৬ কোটি টাকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে। আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা, যার অধীনে যোগ্য ব্যক্তিদের বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। আপনি যদি এই প্রকল্পে যোগদান করতে এবং বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা নিতে চান, তবে আপনাকে প্রথমে আপনার যোগ্যতা যাচাই করতে হবে, এবং তারপরে আপনার আয়ুষ্মান কার্ড তৈরি করা হবে। এই আয়ুষ্মান কার্ড আপনাকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ করে দেয়। তাহলে, চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে এই আয়ুষ্মান কার্ড পাওয়া যায়। আয়ুষ্মান কার্ড পেতে হলে আপনার কিছু নির্দিষ্ট কাগজপত্র লাগবে। এর মধ্যে রয়েছে আপনার আধার কার্ড, রেশন কার্ড, আয়ের শংসাপত্র এবং লেবার রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট। এছাড়াও, আপনার মোবাইল নম্বরটি আধারের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে হবে। আপনার পরিচয় এবং যোগ্যতা প্রমাণ করার জন্য এই সমস্ত কাগজপত্র প্রয়োজন।
আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা, যার অধীনে যোগ্য ব্যক্তিদের বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। আপনি যদি এই প্রকল্পে যোগদান করতে এবং বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা নিতে চান, তবে আপনাকে প্রথমে আপনার যোগ্যতা যাচাই করতে হবে, এবং তারপরে আপনার আয়ুষ্মান কার্ড তৈরি করা হবে। এই আয়ুষ্মান কার্ড আপনাকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ করে দেয়। তাহলে, চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে এই আয়ুষ্মান কার্ড পাওয়া যায়। আয়ুষ্মান কার্ড পেতে হলে আপনার কিছু নির্দিষ্ট কাগজপত্র লাগবে। এর মধ্যে রয়েছে আপনার আধার কার্ড, রেশন কার্ড, আয়ের শংসাপত্র এবং লেবার রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট। এছাড়াও, আপনার মোবাইল নম্বরটি আধারের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে হবে। আপনার পরিচয় এবং যোগ্যতা প্রমাণ করার জন্য এই সমস্ত কাগজপত্র প্রয়োজন।
কারা পাওয়ার যোগ্য
- গ্রামীণ এলাকায় যাদের শুধুমাত্র একটি কাঁচা ঘর (মাটির দেওয়াল ও চাল) আছে, তারা পাবেন সুবিধা।
- পরিবারে ১৬ থেকে ৫৯ বছর বয়সী কোনও সক্ষম প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য না থাকলে আবেদনের যোগ্য।
- পরিবারের প্রধান যদি একজন মহিলা হন, সেখানে কোনও প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্য না থাকে।
- তফশিলি জাতি (SC) বা তফশিলি উপজাতি (ST) ভুক্ত পরিবার পাবেন সুবিধা।
- ভূমিহীন পরিবার, যাদের আয়ের প্রধান উৎস কায়িক শ্রম তারা পাবেন।
- পরিবারে যদি কোনও বিশেষভাবে সক্ষম (দিব্যাঙ্গন) সদস্য থাকেন ও দেখাশোনা করার মতো কোনও সুস্থ সদস্য না থাকে।
শহুরে এলাকার জন্য কী যোগ্যতা লাগবে
- রাস্তার হকার, মুচি বা ফেরিওয়ালা।
- পরিচারিকা (Domestic workers)।
- আবর্জনা সংগ্রহকারী (Ragpickers)।
- নির্মাণ শ্রমিক, প্লাম্বার, রাজমিস্ত্রি, রং মিস্ত্রি।
- রিকশাচালক বা পরিবহণ শ্রমিক।
- দোকানের কর্মচারী, ঝাড়ুদার বা মালি।
- নতুন সংযোজন (৭০ উর্ধ্ব প্রবীণ নাগরিক)
২০২৪-২৫ সালের আপডেট অনুযায়ী, ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সী দেশের সমস্ত প্রবীণ নাগরিক এই সুবিধার আওতায় আসবেন। এক্ষেত্রে তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা যাই হোক না কেন, তারা আলাদাভাবে ৫ লক্ষ টাকার কভারেজ পাবেন।
কারা এই সুবিধা পাবেন না
- যাদের নিজস্ব পাকা বাড়ি আছে।
- যাদের বাড়িতে টু-হুইলার, থ্রি-হুইলার বা ফোর-হুইলার (গাড়ি) আছে।
- সরকারি চাকরিজীবী বা মাসে ১০,০০০ টাকার বেশি আয় করেন এমন পরিবার।
- যাদের কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের লিমিট ৫০,০০০ টাকার উপরে।
- যারা আয়কর (Income Tax) জমা দেন।
আবেদন করার পদ্ধতি
- প্রথমে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট PMJAY-এ যান।
- এবার আসবে যোগ্যতা যাচাই: হোমপেজে থাকা ‘Am I Eligible’ অপশনে ক্লিক করুন।
- লগ-ইন: আপনার সচল মোবাইল নম্বর এবং স্ক্রিনে আসা ক্যাপচা (Captcha) কোডটি দিয়ে ওটিপি (OTP)-র মাধ্যমে ভেরিফাই করুন।
- সার্চ অপশন: এরপর আপনার রাজ্য, জেলা এবং সার্চ অপশন (যেমন আধার কার্ড বা রেশন কার্ড নম্বর) সিলেক্ট করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিন।
- ই-কেওয়াইসি (e-KYC): আপনার নাম তালিকায় থাকলে ‘Do e-KYC’ অপশনে ক্লিক করুন।
- আধার ভেরিফিকেশন: আধারের সাথে যুক্ত ওটিপি অপশনটি বেছে নিয়ে আপনার আধার নম্বরটি যাচাই বা ভেরিফাই করুন।
- ডাউনলোড: ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন হওয়ার ১৫-২০ মিনিট পর পুনরায় লগ-ইন করে আপনি আপনার ডিজিটাল আয়ুষ্মান কার্ডটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
আপনি আপনার নিকটতম সিএসসি (CSC) কেন্দ্রে গিয়েও আয়ুষ্মান কার্ড পেতে পারেন। এখানে আপনার যোগ্যতা যাচাই করা হয়, আপনার আবেদন জমা দেওয়া হয় এবং তারপরে আপনার আয়ুষ্মান কার্ড তৈরি হয়ে যায়।
মোবাইল অ্যাপেও করা যায়
আপনি আপনার মোবাইলে আয়ুষ্মান অ্যাপ ডাউনলোড করে সহজেই একটি কার্ড তৈরি করতে পারেন। অ্যাপটি খোলার পর, 'বেনিফিশিয়ারি' হিসেবে লগ ইন করুন এবং আপনার মোবাইল নম্বর দিন। এরপর ওটিপি-র মাধ্যমে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হবে। তারপর আপনাকে স্কিম (PMJAY) এবং রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত তথ্য পূরণ করতে হবে, যা আপনার প্রোফাইল তৈরি করবে।
কী কী নথিপত্র লাগবে
- আধার কার্ড।
- পরিচয়পত্র (ভোটার কার্ড বা ড্রাইভিং লাইসেন্স)।
- ঠিকানার প্রমাণপত্র (যেমন বিদ্যুৎ বিল বা পাসপোর্ট)।
- পরিবারের সকল সদস্যদের নাম এবং তাঁদের আধার নম্বর।
- ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য।
- আয় ও জাতিগত শংসাপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।


