অটলবিহারী বাজপেয়ী শুধু প্রধানমন্ত্রী নয়, একজন বিচক্ষণ সত্যনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ ছিলেন যাঁকে সমস্ত দলের মানুষ ভালোবাসতেন, শ্রদ্ধা করতেন। কিন্তু এমন রাজনীতির মানুষও আছেন যাঁদের আবার সত্যি কথা বললে লাভ হয় না বলে সবসময় মিথ্যা কথা বলেন। অথচ এমন মানুষের কালীঘাটের বাড়িতে অটলজি গিয়েছিলেন। যখন দিদি পায়ে হাওয়াই চটি ছিল কিন্তু ভাইয়েরা কোটিপতি হয়নি সেই সময় তিনি কালীঘাট গিয়েছিলেন। তাঁর মায়ের পা ছুঁয়ে নমস্কারও করেছিলেন।  যদিও পরে সেই অটলজির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে জোট ছেড়ে বেড়িয়ে এসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর ৯৫ তম জন্মজয়ন্তী পালন করতে এসে মুখ্যমন্ত্রীকে ফের তোপ দাগলেন আসানসোলের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। এনআরসি ও সিএএ বিরোধিতার প্রসঙ্গ তুলে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কটাক্ষ করেন।  

এদিন গুজরাতি ভবনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাবুল সুপ্রিয় এনআরসির বিরোধিতার প্রসঙ্গে বলেন, বাম আমলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই ৮৫ লাখ ভুয়ো ভোটারের অভিযোগ করেছিলেন। সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন ১৮০ ডিগ্রি পাল্টি মেরেছেন। ২০০৮ সালে যে মতুয়াদের ভারতীয় নাগরিকতা দেওয়ার কথা বলেছিলেন, সেই মতুয়াদের যখন আমরা নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করছি, তখন তিনি বিরোধিতা করছেন। মতুয়ারাও জানেন তিনি কীভাবে ঠকাচ্ছেন।

এখানেই থেমে থাকেননি বাবুল। সংবাদমাধ্যমের এক প্রশ্নে তিনি বলেন, এনআরসির বিরোধিতায় যারা বাস,ট্রেন জ্বালিয়েছে তারা অনুপ্রবেশকারী। দিদির পোষা জামাতি গুণ্ডাবাহিনী, এটা প্রমাণ হয়ে গেছে। তাই প্রথমে সিএএ-তে অত্যাচারিত শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। তারপর এনআরসি করে এই জামাতি অভারতীয়দের এদেশ থেকে তাড়ানো হবে। মিথ্যা কথা বলে, ঘণ্টা বাজিয়ে, কাকা-ছিছি করেও কোনও লাভ হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।