Balurghat: দুর্গাপুুজোর (Durga Puja 2026) আগে হঠাৎই অশান্ত হয়ে উঠেছে দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur)। বেশ কয়েকজন বাংলাদেশী (Bangladeshi) অনুপ্রবেশকারী গ্রেফতার হওয়ার পর ধরা পড়েছে এক জেএমবি জঙ্গি। এরই মধ্যে বালুরঘাটে এক শিবমন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনায় ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে পেরেছে পুলিশ-প্রশাসন।
KNOW
Temple Vandalized: দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2026) মুখে এক শিব মন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনায় ক্ষোভ তৈরি হল দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) বালুরঘাট ব্লকের নাজিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খাঁপুর অঞ্চলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় একটি শিবমন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয়। শুক্রবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হতেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে সরব হন তাঁরা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে দ্রুত পদক্ষেপ নেয় পুলিশ। ঘটনার খবর পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের এই দ্রুত পদক্ষেপে সম্ভাব্য উত্তেজনা প্রশমিত হওয়ার পাশাপাশি ওই অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে প্রশাসনের দায়িত্বশীল ভূমিকাও সামনে এসেছে।
পুলিশের পদক্ষেপে খুশি মানুষ
শিব মন্দিরে ভাঙচুরের খবর পেয়ে স্থানীয় মণ্ডল সভাপতি ছোটন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে বিজেপি (BJP) নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। মন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তাঁরাও অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবি জানান। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিজেপি নেতৃত্বও পুলিশ-প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতারের সময়সীমা বেঁধে দেন। কিন্তু তার আগেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের এই তৎপরতা অশান্তি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। সংবেদনশীল একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি যাতে আরও জটিল না হয়, সে ক্ষেত্রে পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
পুলিশের প্রশংসায় বিজেপি নেতৃত্ব
এই ঘটনার বিষয়ে বিজেপি মণ্ডল সভাপতি বলেছেন, 'খাঁপুরে রাতের অন্ধকারে একটি শিব মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয়। শুক্রবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হতেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে আমরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছই। আমাদের আরাধ্য দেব-দেবীর মন্দিরে এই ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা পুলিশ প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতারের সময় দিয়েছিলাম। পুলিশ অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। এ জন্য পুলিশ-প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই। যেভাবে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখেছে, তা প্রশংসার যোগ্য।' শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা শুধু অপরাধের তদন্তেই সীমাবদ্ধ নয়, উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ করে সাধারণ মানুষের আস্থা বজায় রাখাও পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। খাঁপুরের ঘটনায় অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতারের পদক্ষেপ সেই দায়িত্ব পালনেরই একটি উদাহরণ হয়ে উঠেছে। প্রশাসনের এই তৎপরতা এবং স্থানীয় নেতৃত্বের সহযোগিতায় শান্তি বজায় থাকুক, এমনটাই প্রত্যাশা বাসিন্দাদের।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


