ভরদুপুরে রাস্তায় এক যুবকের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে লক্ষাধিক টাকা লুট করল দুষ্কৃতীরা।  ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মেদিনীপুর শহরে। তদন্তে নেমেছে পুলিশ। অভিযুক্তরা এখনও অধরা।

আক্রান্ত যুবকের নাম অভিজিৎ মিদ্যা। পেশায় তিনি একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের লোন কালেকশন এজেন্ট। কাজের সুবাদে রোজই মেদিনীপুরে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরতে হয় অভিজিৎ-কে। ব্যাঙ্ক থেকে যাঁরা ঋণ নেন, তাঁদের বাড়ি গিয়ে কিস্তির টাকা সংগ্রহ করেন ওই যুবক।  দিনের শেষে সেই টাকা ব্য়াঙ্কে জমা করে দেন।  অভিজিত মিদ্যার বক্তব্য, বৃহস্পতিবার দুপুরে মেদিনীপুরের শহরের বাইপুকুর লেন এলাকার ব্যাঙ্কের গ্রাহকদের কাছে টাকা সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন তিনি।  ব্যাগভর্তি টাকা নিয়ে বাইকে চেপে যখন পাড়ার রাস্তা দিয়ে বাইপুকুর লেন থেকে তাঁতগেড়িয়ার দিকে যাচ্ছিলেন, তখন পাড়ার মোড়ে পথ আটকায় দুই দুষ্কৃতী। মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে অভিজিৎ-কে ব্যাগ থেকে টাকা বের করতে বলে তারা।  দিনেদুপুরে এমন ঘটনায় হতবাক হয়ে যান তিনি। ব্যাঙ্কের ওই লোন কালেকশন এজেন্টের অভিযোগ, কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁর বাইকের চাবি খুলে ব্য়াগ থেকে টাকা বের করে নেয় করে নেয় ওই দুই দুষ্কৃতী।  দুই জন দুষ্কৃতী যখন টাকা লুট করছিলেন, তখন কাছেই অন্য এক যুবক বাইক নিয়ে অপেক্ষা করছিল বলে জানা দিয়েছে। ছিনতাইয়ের পর তার বাইকে চেপে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা।  ঘটনাটি  জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে মেদিনীপুরে শহরে। কোতুয়ালি থানার অভিযোগ দায়ের করেন আক্রান্ত যুবক। তদন্তে নেমেছে পুলিশ। অভিযুক্তরা এখনও অধরা। 

আরও পড়ুন: শিশুসন্তানকে জঙ্গলে ফেলে পালানোর চেষ্টা, দম্পতিকে হাতেনাতে ধরলেন স্থানীয় বাসিন্দারা

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই আসানসোলের হীরাপুরে এক মদের দোকানে হানা দিয়েছিল দুষ্কৃতী। দোকানের নৈশপ্রহরীকে খুন করে নগদ টাকা ও কয়েক পেটি মদ লুট করে নেওয়া হয়। আর্থিক সাহায্যে দেহ আটকে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভও দেখান মৃতের পরিবারের লোকেরা।