
Basirhat: ৩৪০ জন 'ডিলিট'! খোদ BLO-র নাম গায়েব! বসিরহাটে বিরাট শোরগোল! দেখুন
Basirhat: নিজের বুথেই ভোটার নন বিএলও! বসিরহাটের ৫ নম্বর বুথে ভোটার তালিকা থেকে গায়েব ৩৪০ জনের নাম। বাবার নাম থাকলেও তালিকা থেকে বাদ পড়লেন খোদ সরকারি কর্মী ও তার ভাইয়েরা। নির্বাচন কমিশনের গাফিলতি নাকি বড় কোনো ষড়যন্ত্র? জানুন আসল ঘটনা।
Basirhat: বসিরহাটে ভোটার তালিকা বিভ্রাট: নাম নেই খোদ বিএলও-র, উধাও ৩৪০ জন বিচারাধীন গ্রামবাসীর নাম!
ভোটের মুখে বড়সড় ডামাডোল বসিরহাট ২ নম্বর ব্লকে। এলাকার ৫ নম্বর বুথ অর্থাৎ বড় গোবরা এলাকায় ভোটার তালিকা থেকে একযোগে ৩৪০ জন বিচারাধীন গ্রামবাসীর নাম ডিলিট হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গেছে খোদ স্থানীয় বিএলও (BLO) শফিউল আলমের। শুধু তাই নয়, তার দুই ভাই রবিউল আলম ও তরিকুল আলমের নামও তালিকায় খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। শফিউল আলমের পরিবারের দাবি, ২০০২ সাল থেকে তার বাবা হবিবর রহমানের নাম তালিকায় থাকলেও, রহস্যজনকভাবে ছেলেদের নাম এবার বাদ দেওয়া হয়েছে।
কী ঘটেছিল বড় গোবরায়?
স্থানীয় সূত্রে খবর, ৫ নম্বর বুথের ভোটার তালিকায় ব্যাপক রদবদল চোখে পড়ে গ্রামবাসীদের। দেখা যায়, ৩৪০ জন বিচারাধীন ব্যক্তির নাম তালিকা থেকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলা হয়েছে। নিজের বুথেই বিএলও-র নাম না থাকা নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম হাসাহাসি ও উত্তেজনা। শফিউল আলম নিজে একজন সরকারি কর্মী হয়েও কীভাবে এই তালিকায় ব্রাত্য রয়ে গেলেন, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ
ঘটনার খবর চাউর হতেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এটি নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত গাফিলতি। কোনো আগাম নোটিশ বা তথ্য ছাড়াই কীভাবে এত বড় সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
ভোটের মুখে এই 'ভোটার ছাঁটাই' কি স্রেফ যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো কারণ? এখন সেটাই বড় প্রশ্ন বসিরহাটে।