তাঁরা বিজেপির সমর্থক, তাই ত্রাণ পাচ্ছেন না। এমনই গুরুতর অভিযোগ তুললেন বন্যা দুর্গতরা। ত্রাণ চেয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে বিক্ষোভ দেখালেন বন্যা দুর্গতরা। এদিন তাঁরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান। হাতে ছিল প্ল্যাকার্ড। তাঁদের দাবি খেজুরিতে বিজেপি করার অপরাধে মিলছে না তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে না ত্রাণ সামগ্রী ও খাবার। 

আরও পড়ুন - অ-মুসলিম উদ্বাস্তুদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত, নোটিশ জারি করল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

এই অভিযোগে শুক্রবার সকাল থেকে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় মানুষজন। এই গুরুতর অভিযোগের খবর পেয়ে এলাকায় ছুটে যান খেজুরি বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক শান্তনু প্রামানিক। বিক্ষোভকারীদের সামনে হাত জোড় করে তাঁদের শান্ত হওয়ার আবেদন জানান তিনি। তিনি বলেন খুব দ্রুত এই অভিযোগের সমাধান করা হবে। 

বিধায়ক এলাকাতে থাকাকালীনই ত্রাণ সামগ্রী ও খাবার এসে পৌঁছয়। সেগুলি বিলি করার ব্যবস্থাও করা হয়। পরে বিধায়কের সঙ্গে কথা বলে বিক্ষোভ তুলে নেন গ্রামবাসীরা। তবে গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে গ্রামের মধ্যে ত্রাণ বিলির ক্যাম্প তৈরি করার দাবি জানানো হয়। বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান শান্তনু প্রামাণিক। 

এদিকে, শুক্রবারই ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শনে জেলা সফরের জন্য হেলিকপ্টারে করে রওনা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, ঘূর্ণিঝড় যশের জেরে বিধ্বস্ত রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকা। বাঁধ ভেঙে জল ঢুকে ভেসে গিয়েছে একের পর এক গ্রাম। ঘূর্ণিঝড় যশ কবলিত এলাকাগুলি পরিদর্শনে হাওড়া ডুমুরজলা থেকে হেলিকপ্টারে করে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী। 

আরও পড়ুন - আঠারো উর্দ্ধদের টিকাকরণ শুরু, প্রথম দফায় দুশো জন পাবেন টিকা

এদিন তিনটি বৈঠক রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। যশের তাণ্ডবের সুন্দরবন বিধ্বস্ত সন্দেশখালি হিঙ্গলগঞ্জ সহ ছটি বিধানসভা আকাশপথে পরিদর্শন করবেন তিনি। সঙ্গে থাকবেন মুখ্য সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচনের পর উত্তর ২৪  পরগনা জেলায় এই প্রথম প্রশাসনিক সভা করেন মমতা। হিঙ্গলগঞ্জ মহাবিদ্যালয় বৈঠক করেন তিনি। তারপর দক্ষিণ ২৪ পরগনা সাগরে বৈঠক করবেন। পরে পশ্চিম মেদিনীপুর কলাইকুন্ডায় গিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী।