কলকাতার সেরা মিষ্টি দই পাওয়া যায় এই ৯ দোকানেই, ঠিকানাগুলি জেনে নিন
বাঙালির কাছে মিষ্টি দইয়ের স্বাদ চিরন্তন। যে কোনও শুভ অনুষ্ঠানে বা ভূরিভোজের শেষ, পাতে মিষ্টি দই না হলে জমে না। আজকে আমরা জানাব কলকাতার কয়েকটি দোকানের খোঁজ। যেখানে গেলে পাবেন সেরা মিষ্টি দই।
বাঙালির কাছে মিষ্টি দইয়ের স্বাদ চিরন্তন। যে কোনও শুভ অনুষ্ঠানে বা ভূরিভোজের শেষ, পাতে মিষ্টি দই না হলে জমে না। আজকে আমরা জানাব কলকাতার কয়েকটি দোকানের খোঁজ। যেখানে গেলে পাবেন সেরা মিষ্টি দই।

পুঁটিরাম, কলেজ স্ট্রিট: বইপাড়ার জনপ্রিয় মিষ্টির দোকান এই পুঁটিরাম। এখানকার কচুরি-ছোলার ডাল বিখ্য়াত। কিন্তু ১৭০ বছরের পুরনো এই দোকানের পুরনো পদ্ধতিতে তৈরি মিষ্টি দইও কিন্তু খুব জনপ্রিয়।
যুগলস্, রাসবিহারী অ্যাভিনিউ: দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম জনপ্রিয় মিষ্টির দোকান। ১৯২৫ সালে এই দোকানটি স্থাপিত হয়। এখানকার দই তৈরি করা হয় দুধ দীর্ঘ ক্ষণ ফুটিয়ে। সেই কারণে দই লালচে।
নিউ নবকৃষ্ণ গুঁই সুইটস্, বৌবাজার: ১৮০ বছরের পুরনো এই দোকান মিষ্টি দইয়ের এক বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান। আম দই, সাদা দই এবং মিষ্টি দই– এই তিন ধরনের দই পাওয়া যায় এই দোকানে।
মিঠাই সুইটস্ শপ, পার্ক সার্কাস: ৫০ বছর ধরে এই দোকানের সাদা মিষ্টি দই খুবই জনপ্রিয়। গরমকালে হিমসাগর আম দিয়ে বানানো হয় দই।
সুরেশ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, ঢাকুরিয়া: এই দোকানে ১০০-২৫০ গ্রামের দইয়ের ভাঁড়ের কাটতি সবচেয়ে বেশি। এখানেও গ্রীষ্মে বেশ ভাল আমদই পাওয়া যায়।
হিন্দুস্থান সুইটস: এই দোকানের দইও বিখ্যাত। এখানকার ক্রিমি দইয়ের স্বাদে মজে আছে বাঙালি।
গাঙ্গুরাম: বাংলার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির দোকানগুলির মধ্যে একটি। এখানকার মিষ্টি দইয়ের স্বাদ মুখে লেগে থাকে।
অমৃত সুইটস, ফারিয়াপুকুর: শহরের প্রবীণ লোকজনের কাছে এই দোকানের দই আজও প্রিয়। শহরের সেরা দইয়ের ঠিকানা জিজ্ঞাসা করলে তাঁরা অমৃত মিষ্টির নামই করবে।
যাদব চন্দ্র দাস, কলেজ স্ট্রিট: কলেজ স্ট্রিটের এই ছোট্ট দোকানটি মিষ্টি দইয়ের জন্য জনপ্রিয় বহুকাল থেকেই। এই দোকানের দই পছন্দ করতেন সত্যজিৎ রায়, সুচিত্রা সেন এবং কিশোর কুমারও।
West Bengal News (পশ্চিমবঙ্গের খবর): Read In depth coverage of West Bengal News Today in Bengali including West Bengal Political, Education, Crime, Weather and Common man issues news at Asianet News Bangla.