2026 West Bengal Legislative Assembly election: বৃহস্পতিবার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। তার আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শাসক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বিরোধী দলের কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও ভয় দেখানো, হুমকি দেওয়া, এমনকী মারধর করার অভিযোগও উঠেছে। ফলে রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

DID YOU
KNOW
?
সন্ত্রাসের অভিযোগ
রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে ভোটগ্রহণের আগে বিভিন্ন প্রান্তে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ বিজেপি-র।

West Bengal Elections 2026: বৃহস্পতিবার বিধানসভা নির্বাচনে (2026 West Bengal Legislative Assembly election) প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হতে চলেছে। তার আগে মঙ্গলবার প্রচারের শেষ দিন উত্তপ্ত হয়ে উঠল পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) বিরুদ্ধে বিজেপি (BJP) প্রার্থী অজিত কুমার জানা-সহ বিরোধী দলের বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থককে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপি প্রার্থীর হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। বহু বিজেপি কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ। বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ও বেশ কয়েকটি মোটর সাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। বিজেপি প্রার্থীকে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আহত বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে মোহনপুর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পথ অবরোধ বিজেপি-র

বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ, মঙ্গলবার সকালে দাঁতনের বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে হরিপুর থেকে মোটরবাইক র‍্যালি আয়োজন করা হয়েছিল। এই র‍্যালি সাবড়া থেকে মোহনপুর যাওয়ার পথে আঁতলা অঞ্চলে পৌঁছলে হঠাৎই তাঁদের ওপর চড়াও হয় তৃণমূল আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী। তারা লাঠি, ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বিজেপি প্রার্থীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। মিছিলে হামলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। হামলার প্রতিবাদে এবং দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবিতে মোহনপুর থানার সামনে এগরা-সোলপাট্টা রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। দীর্ঘক্ষণ চলে সেই অবরোধ। এর ফলে সেখানে ব্যাপক যানজট তৈরি হয়। 

শাসক দলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ

বিজেপি-র অভিযোগ, নিশ্চিত হার জেনে সন্ত্রাস ছড়িয়ে ভোট বৈতরণী পার হতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও শাসক দলের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে ওঠা হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পছে নেমেছে বিশাল পুলিশবাহিনী। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার কীভাবে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট সম্ভব হবে, সেই প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।