আশিষ মণ্ডল, বীরভূম:  অযোধ্যায় রাম মন্দিরে ভূমি পুজাকে কেন্দ্র করে এ রাজ্যেও বিজেপি নেতা-কর্মীদের উৎসাহ-উদ্দীপনা তুঙ্গে। বীরভূমের সতীপীঠ নলাটেশ্বরী মন্দিরেও চত্বরেও এবার যজ্ঞ ও পুজো করলেন গেরুয়াশিবিরের স্থানীয় নেতা অনিল সিং। যজ্ঞের ভষ্ম ও সতীপাঠের মাটি পাঠিয়ে দেওয়া হবে অযোধ্যায়। এদিকে পুজোর শুরুতে আবার পুলিশি বাধা দেয় বলে অভিযোগ।

আরও পড়ুন: টেলিভিশনই হাতিয়ার, লকডাউনে এবার স্মার্টফোন ছাড়াই 'ক্লাস' করতে পারবে পড়ুয়ারা

অপেক্ষা আর মাত্র দু'দিনের। ৫ অগাস্ট অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভূমি পুজো করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। বীরভূমে সতীপীঠের সংখ্য়া পাঁচ। তারাপীঠের মতো সিদ্ধপীঠও রয়েছে এই জেলাতে। এর আগে তারাপীঠ থেকে যজ্ঞের ভষ্ম, দ্বারকা নদী ও জীবিত কুণ্ডের ও শশ্মানের মাটি এবং বক্রেশ্বরের সতীপীঠের মাটিও পাঠানো হয় অযোধ্যায়। বাদ গেল না নলহাটির নলাটেশ্বরীর মন্দিরও।

আরও পড়ুন: বাঁকুড়ায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, বোমা মেরে খুনের অভিযোগ তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধানকে

রবিবার মন্দির চত্বরে যজ্ঞের আয়োজন করেন স্থানীয়  বিজেপি নেতা অনিল সিং। নিজের পরিবার এবং কর্মী সমর্থকদের নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যজ্ঞ করা হয়। কিন্তু প্রথমে এই যজ্ঞ করতে নলহাটি থানার ওসি কার্তিক রায় বাধা দেয় পুলিশ। শেষপর্যন্ত অবশ্য সবকিছু মেটে নির্বিঘ্নেই। যিনি যজ্ঞ করলেন, সেই অনিল সিং-র দাবি, তাঁকে থানায় ডেকে নিয়ে গিয়ে হুমকি দিয়েছে পুলিশ। তিনি বলেন, 'রামমন্দির নির্মাণ নিয়ে মানুষের একটা আবেগ রয়েছে। দীর্ঘও লড়াইয়ের পর রামমন্দির নির্মাণের ভূমি পুজো হতে চলেছে। এই পুজো সশরীরে হাজির থাকতে না পারলেও সতীপীঠের ভস্ম ও মৃত্তিকা পাঠিয়ে অংশগ্রহণ করলাম। মন্দির নির্মাণ আন্দোলনে বাম আমলে ইঁট পুজো নিয়ে পুলিশ যে ভূমিকা পালন করেছিল এখনও তার কোন পরিবর্তন হয়নি। রামের নাম শুনলেই পুলিশ ক্ষেপে যাচ্ছে।'