BJP vs BJP Clash: বিজেপি বনাম বিজেপি। নিজেদের মধ্যেই এবার লেগে গেল মারপিট। রাজ্যের শাসক দলের অন্দরে এ কী চেহারা? জানা যাচ্ছে, তোলাবাজি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিবাদ এবং তারপরেই সোজা হাসপাতালে নিয়ে ছুটতে হল সেই এলাকার বিজেপি বিধায়ককে।

BJP vs BJP Clash: বিজেপি বনাম বিজেপি। নিজেদের মধ্যেই এবার লেগে গেল মারপিট। রাজ্যের শাসক দলের অন্দরে এ কী চেহারা? জানা যাচ্ছে, তোলাবাজি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিবাদ এবং তারপরেই সোজা হাসপাতালে নিয়ে ছুটতে হল সেই এলাকার বিজেপি বিধায়ককে। জানা গেছে, তোলাবাজি নিয়ে শুরু হয় দলীয় কোন্দল এবং তা থামাতে গিয়েই দলের নেতাকর্মীদের হাতে বেদম মার খেলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত ডেবরা বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক শুভাশিস ওম (BJP vs BJP Clash)। তাঁকে এমন প্রহার করা হয় যে, ডেবরা সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। তবে তিনি একা নন, ঐ একই হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় আরও কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে। এরপর মাথায় ব্যান্ডেজ বেঁধে হাসপাতালের বেডে শুয়েই এই ঘটনার জন্য দলের একাংশকে অভিযুক্ত করেন বিজেপি বিধায়ক শুভাশিসবাবু (BJP Internal Conflict)।

তোলাবাজি নিয়ে ঝামেলা! ডেবরায় নিজের দলের কর্মীদের হাতেই মার খেলেন খোদ বিজেপি বিধায়ক

অন্যদিকে, এই খবর পেয়েই হাসপাতালে তাঁকে দেখতে যান বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তন্ময় দাস। যদিও সেখানে গিয়ে আবার নিজের দলের বিধায়কের মাথার ব্যান্ডেজ নিয়ে উল্টে কটাক্ষ করলেন তিনি। সেইসঙ্গে, তিনি জানিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে আলাদাভাবে বসে আলোচনা করা যেতে পারত। এইভাবে কোনও কিছু প্রকাশ্যে আনা ঠিক কাজ নয়। বিজেপি বিধায়ক বলছেন, তোলাবাজির অভিযোগকে কেন্দ্র করে সোমবার সন্ধ্যায়, উত্তেজনা ছড়ায় ডেবরায়। সেখানে দলীয় কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ মেটাতে গিয়ে আক্রান্ত হন তিনি। অর্থাৎ, বিজেপির একাংশ কর্মী রয়েছেন, যাদের হাতেই হেনস্থা হতে হয় খোদ সেই এলাকার বিজেপি বিধায়ককে। তিনি জানিয়েছেন, "এলাকায় একটু গন্ডগোল হয়েছিল। দলের কর্মীরা নিজেরাই নিজেদের মধ্যে কেস করতে চাইছিল। কিন্তু আমি সেখানে গিয়ে কর্মীদের বোঝানোর চেষ্টা করছিলাম যে, আমরা একই পতাকার তলায় লড়াই করি। নেতৃত্বের মোহে বারবার কর্মীদের বিরুদ্ধে এই কেস করার ব্যাপারটা একেবারেই আমার ভালো লাগছে না। আসলে তোলাবাজির বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়েই এইসব হচ্ছে।’’

বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তন্ময় দাস আবার বলেন, ‘‘আমার কাছে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয় যে, ঠিক কী হয়েছে। ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বললে বুঝতে পারব।" পাশাপাশি পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় পৌঁছে যান ডেবরার এসডিপিও এবং ডেবরা থানার ওসি সহ বিশাল পুলিশবাহিনী।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।