Canning News: বিধানসভা ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা হতেই ক্যানিংয়ে ধুন্ধুমার। বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তেজনা এলাকায়। ঠিক কী অভিযোগ উঠেছে? বিশদ তথ্যের জন্য পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Canning News: নির্বাচনী নির্ঘন্ট ঘোষণার ৭২ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্যানিংয়ে। ঘটনায় বিজেপি’র পাঁচজন গুরুতর জখম হয়েছেন বলে অভিযোগ। সকলেই ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে,বুধবার ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভার বাঁশড়া পঞ্চায়েতের সংগ্রামী নগর এলাকার ৮৩ নম্বর বুথের ৬ নম্বর শক্তিকেন্দ্রে নির্বাচন সংক্রান্ত জরুরি বৈঠক চলছিল জয়নগর সাংগঠনিক বিজেপি’র কার্যকর্তাদের।

ভোটের আবহে ক্যানিংয়ে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ:-

বিধানসভা নির্বাচনের রণ কৌশল তৈরী চলছিল।সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জয়নগর সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক সমীর মন্ডল,প্রশান্ত বায়েন,কিঙ্কর মন্ডল সহ একাধিক কার্যকর্তা। এমনকি ওই সাংগঠনিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ছত্তিশগড়ের বিজেপি বিধায়ক শ্যামলাল রাম।

বাড়িতে বিজেপির বৈঠক হওয়ায় সেই বাড়িতে ঢুকে হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভার বাঁশড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সংগ্রামীনগরের ঘটনা। ঘটনায় বাচ্চু মান্না ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা আক্রান্ত হন। আহতদেরকে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপপ্রধান কাশেম সর্দার ও তার অনুগামীদের বিরুদ্ধে। বুধবার বিকেলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়।

স্থানীয় সূত্রের খবর, এদিন কেন্দ্রের এক বিজেপি কার্যকরতা শ্যামলা রামধারে নির্বাচনী কর্মসূচি নিয়ে এলাকায় এসেছিলেন। স্থানীয় কার্যকরতাদের নিয়ে বৈঠকের পাশাপাশি বাচ্চু মান্নার বাড়িতে দুপুরে খাবারের ব্যবস্থা ছিল। অভিযোগ, যখন এসব সেখানে চলছিল, তখন স্থানীয় পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্যা বাচ্চু মান্নার বাড়ির ছবি তোলে। তার প্রতিবাদ করতেই লোকজন নিয়ে এসে ঐ পঞ্চায়েত সদস্যা হামলা চালায় বাচ্চু মান্নার বাড়িতে, অভিযোগ বাচ্চুর পরিবারের। মারধর করা হয় বাচ্চু সহ তাঁর ছেলে শুভময় ও স্ত্রী সীমা মান্নাকে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। এলাকায় বিজেপি দল করার কারণেই এই হামলা বলে দাবি তাঁদের।

যদিও এই অভিযোগ মানতে চায়নি তৃণমূল। তাঁদের দাবি স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা ঝর্না হালদার এলাকায় দেওয়াল লিখছিলেন, তাঁকেই কটূক্তি করেন বিজেপির লোকজন। প্রতিবাদ করলে চুলের মুঠি ধরে মারধর করা হয় তাঁকে। এ নিয়েই অশান্তি হয়েছে। বিজেপি যে অভিযোগ করছে তা ভিত্তিহীন।

এদিকে, মেখলিগঞ্জে বিজেপিতে ভাঙন! পরেশ অধিকারীর হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিলো চারটি পরিবার। মেখলিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী পরেশ চন্দ্র অধিকারীর উপস্থিতিতে পারমেখলীগঞ্জ অঞ্চলে বিজেপিতে ভাঙন ধরল। ওই অঞ্চলের ৪টি পরিবার গেরুয়া শিবির ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন।

নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন পরেশ চন্দ্র অধিকারী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্লক তৃণমূল সভাপতি মানস রায় বসুনিয়া, পারমেখলীগঞ্জ অঞ্চল সভাপতি কানাই বিশ্বাস ও যুব অবজার্ভার নরেশ চন্দ্র রায়। এই যোগদান প্রসঙ্গে মেখলিগঞ্জের প্রার্থী পরেশ চন্দ্র অধিকারীর বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।