করোনা আতঙ্কের মাঝেই বাঁকুড়ায় শক্তি বাড়ল তৃণমূলের। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দলবদল করলেন বুথ সভাপতি ও সম্পাদক-সহ বিজেপি কর্মীদের একাংশ। যাঁরা তৃণমূলে যোগ দিলেন, তাঁদের অবশ্য দলের কর্মী বলে মানতেই রাজি নন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। 

আরও পড়ুন: কিংবদন্তির জন্মদিনে খাদ্যসামগ্রী বিলি, লকডাউনে মানবিক উদ্যোগ সচিন ভক্তদের

গত লোকসভা ভোটে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর আসনটি হাতছাড়া হয় তৃণমূলের। বিপুল ভোটে জেতেন বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ।  শুধু তাই নয়, ভোটে ফল প্রকাশের পর এলাকায় কার্যত কোণঠাসা হয়ে যায় রাজ্যের শাসকদল। অল্পদিনেই নিজেদের সংগঠনকে রীতিমতো শক্তিশালী করে তোলে বিজেপি। কিন্তু সংগঠন ধরে রাখা যাবে তো? প্রশ্ন উঠেছে গেরুয়াশিবিরের অন্দরের। শোনা যাচ্ছে, বিজেপি নেতাদের কাজকর্মে ক্ষুদ্ধ নিচুতলার কর্মীদের একাংশ। এমনকী, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন 'জনবিরোধী নীতি' মেনে নিতে পারছেন না অনেকেই। আর এই সুযোগকে কাজে লাগাতে বিষ্ণুপুরে রাজনৈতিক সংক্রিয়তা বেড়েছে তৃণমূলের। লকডাউনে বাজারে সুফল মিলল হাতেনাতেই।

আরও পড়ুন: করোনা আতঙ্ক-লকডাউনে-ও খুন, চাঞ্চল্য ছড়াল গড়িয়া স্টেশন এলাকায়

বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রে অন্তর্গত জয়পুর এলাকায় খোদ বুথ সভাপতি, সম্পাদক-সহ বিজেপি কর্মীদের একাংশ যোগ দিলেন তৃণমূলে। কেন? তাঁদের সাফ কথা, করোনা পরিস্থিতিতে যখন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে রাজ্য সরকার ও স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা, তখন বিজেপি নেতারা বাড়িতে বসে দিন কাটাচ্ছেন! বিপদের সময়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার জন্য তৃণমূলে যোগ দিলেন।  বিষ্ণুপুরের  বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-এর  অবশ্য দাবি, 'তৃণমূলের কর্মীরাই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী হাটে-বাজারে গিয়ে মানুষকে সামাজিক দূরত্ব বোঝাচ্ছেন। নিজের দলের নেতা-মন্ত্রীদের যদি শেখাতেন, তাহলে সামাজিক দূরত্ব না মেনে দলবদলের এই নাটক রাজ্যবাসীকে  দেখতে হত না।'