অবৈধ বাংলাদেশি ভোটার পিছু ১০ হাজার টাকা করে চাইছে বিএলও। ভোটার লিস্টে নাম তুলতে কাটমানি! এই অভিযোগ ঘিরে তুলকালাম বাগদায়। বিজেপি-টিএমসি তরজা শুরু হয়েছে।
ফোন করে অবৈধ বাংলাদেশিদের ভোটার তালিকায় নাম তুলে দেওয়ার নামে টাকা চাইছে বিএলও ৷ এমনই অভিযোগ উঠল বাগদা ব্লকের বয়রা গ্রাম পঞ্চায়েতের এক বিএলওর বিরুদ্ধে৷ বিএলওর সঙ্গে সে বিষয়ে কথোপকথনের ভয়েস রেকর্ড ছড়িয়ে পড়েছে৷ যদিও সেই ভয়েস রেকর্ডের সত্যতা যাচাই করেনি এশিয়ানেট নিউজ বাংলা ৷ বাগদার প্রাক্তন বিধায়ক দুলাল বর মেলের মাধ্যমে জেলাস শাসক মহকুমা শাসক ও বিডিওর কাছে বিএলওর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন ৷
অভিযুক্ত বিএলও
বিএলওর নাম চন্দ্রকান্ত মন্ডল। তার বাড়ি বাগদা বিধানসভার বয়রা গ্রাম পঞ্চায়েতের নপারা ১২০ নম্বর বুথে ৷ পেশায় বয়রা ঝাউখালি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক তিনি ৷ সেই ভয়েস রেকর্ডে শোনা যাচ্ছে বয়রা-ন পাড়ার একশো কুড়ি নম্বর বুথের ইসমাইল মন্ডলের সঙ্গে কথোপকথন । সেখানে ইসমাইল মন্ডলের বাংলাদেশী পরিবারের ৬ সদস্যদের ভোটার তালিকায় নাম তুলে দেবার জন্য দশ হাজার টাকা প্রত্যেক ভোটার-পিছু দিতে হবে। এমনটাই বলতে শোনা গেছে। বিডিও এডিও মাইক্রো অবজারভারের নাম করে সেই টাকা চাওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে৷ ৫০ হাজার টাকা যাওয়া হয়েছে। টাকা দিলে নাম তুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে ৷
বাংলাদেশীদের নাম তুলতে টাকা!
বিজেপির অভিযোগ এভাবেই টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশীদের ভোটার তালিকায় নাম তুলে দেওয়া হচ্ছে । কারণ ইসমাইল একজন মুসলিম বাংলাদেশী ৷ ২০০২ সালের তালিকায় তাদের কারো নাম নেই ৷ শুনানিতে ডাকা হয়েছিল ৷ তার পরিবারের লোকজন বেশিদিন হয়নি বাংলাদেশ থেকে এসেছে ৷ তৃণমূলের সহযোগিতা এগুলো হচ্ছে। যদিও ইসমাইল তরফদার এ বিষয়ে কোন কথা বলেননি ৷ বিএলও চন্দ্রকান্ত মন্ডল এর বাবা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন ছেলেকে মিথ্যা ভাবে ফাঁসানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে ৷
রাজনৈতিক তরজা
এ বিষয়ে বাগদা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি তরুণ ঘোষ বলেন যদি কেউ অন্যায় করে থাকে অবশ্যই তদন্ত করে তার বিচার হবে ৷ আমাদের সরকার অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না ৷ বিজেপির এখন এলাকায় কোন অস্তিত্ব নেই। তাই তৃণমূলের নাম জড়িয়ে বাজার গরম করার চেষ্টা করছে ৷


