বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই বেশ কয়েকজন নেতা মন্ত্রীর নিরাপত্তা কমানো হয়েছে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) থেকে শুরু করে প্রাক্তন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim), রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব কুমার (Rajiv Kumar), বিধায়ক কুণাল ঘোষ-সহ বহু শীর্ষনেতার নিরাপত্তা ও কনভয় কমিয়ে দিয়েছে নবান্ন।

তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে কেন্দ্রীয় সরকার ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দিল। যা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই বেশ কয়েকজন নেতা মন্ত্রীর নিরাপত্তা কমানো হয়েছে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) থেকে শুরু করে প্রাক্তন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim), রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব কুমার (Rajiv Kumar), বিধায়ক কুণাল ঘোষ-সহ বহু শীর্ষনেতার নিরাপত্তা ও কনভয় কমিয়ে দিয়েছে নবান্ন। সেখানে কাকলির নিরাপত্তা বাড়ায় রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সম্প্রতি লোকসভার মুখ্য সচেতক পদ থেকে কাকলিকে সরিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় উষ্মাও প্রকাশ করেছিলেন কাকলি। তিনি লিখেছিলেন, চার দশকের আনুগত্যের পুরস্কার পেয়েছেন। গত বছর অগাস্টে সংসদীয় দলের মুখ্য সচেতক পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল কাকলিকে। কিন্তু বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পর দলীয় সংগঠনে একাধিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছিল। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, কঠিন সময়ে দলের হয়ে আক্রমণাত্মক ভূমিকা নেওয়ার কারণেই ফের কল্যাণকে গুরুত্বপূর্ণ পদে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তারপরেই ফেসবুকে কাকলি লেখেন, "৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪-তে পথ চলা শুরু। চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।"

সোমবার থেকেই কাকলির জন্য মোতায়েন হয়েছেন সিআইএসএফ জওয়ানরা। মধ্যমগ্রামের বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দেখে এলাকাবাসীর মনে প্রশ্ন, হঠাৎ এমন নিরাপত্তা কেন? বিকেলে যখন তিনি মধ্যমগ্রাম-বারাসাত সাংগঠনিক জেলা কার্যালয়ে বৈঠকে যান, সেখানেও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার কড়াকড়ি চোখে পড়ে। কেন কেন্দ্রীয় সুরক্ষা পেলেন কাকলি, তার সঠিক উত্তর এখনও জানা যায়নি। তবে বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্য়ায় ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তাঁর দাবি, দলের মধ্যেই হয়ত 'থ্রেট' থাকতে পারে। সেই আশঙ্কা থেকেই কাকলিকে নিরাপত্তা দিয়ে থাকতে পারে কেন্দ্র। রাজ্য বিজেপি-র সহ-সভাপতি অনিন্দ্য বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কোনও ধরনের হুমকি বা অন্য কোনও সম্ভাবনা থাকলে কেন্দ্র নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। কাকলি ঘোষ দস্তিদার এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নিয়ে নিজে প্রকাশ্যে কিছু মন্তব্য করেননি।