Chandranath Rath: শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ক খুনে প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য। কে এই চন্দ্রনাথ রথ? কীভাবে হয়ে উঠেছিলেন শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ক? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…
Chandranath Rath: বুধবার রাত থেকে সংবাদ শিরোনামে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রাম। শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ খুনে ছড়িয়েছে রাজনৈতিক উত্তেজনা। কিন্তু কে এই চন্দ্রনাথ রথ? কীভাবে হয়ে উঠেছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক? আদতে পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা চন্দ্রনাথ রথ শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের আমল থেকে। তৃণমূল জমানায় শুভেন্দু অধিকারী যখন পরিবহণমন্ত্রী ছিলেন সেই সময় থেকে তার ঘনিষ্ঠ ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ।
পূর্ব মেদিনীপুরের ছেলে হলেও পরিবার নিয়ে থাকতেন মধ্যমগ্রামে:-
সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের জন্ম ১৯৮৪ সালের ১১ অগাস্ট। তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরের বাসিন্দা। রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন থেকে পড়াশোনা শেষ করে যোগ দিয়েছিলেন ভারতীয় বায়ুসেনার চাকরিতে। যদিও চাকরিতে অনীহা থাকায় ইচ্ছা ছিল সন্ন্যাস নেওয়ার। ১৮ বছর চাকরি করে তারপর যোগ দিয়েছিলেন ফিউচার গ্রুপে। এদিকে চন্দ্রের সঙ্গে রাজনীতির যোগ বহুদিনের। কারণ, তার মা হাসি রথ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির কর্ম্যাধক্ষ ছিলেন। তিনি বর্তমানে বিজেপিতে যুক্ত। শুধু তাই নয়, শুভেন্দুর সঙ্গে চন্দ্রনাথের পরিবারের যোগাযোগ নব্বইয়ের দশকের শেষপর্ব থেকে। সেই সময় শুভেন্দু তৃণমূলের যোগ দেওয়ার পরে। ২০২০ সালে শুভেন্দু তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। হাসিও তাঁর সঙ্গেই বিজেপিতে যান।
তৃণমূল জমানায় রাজ্যের মন্ত্রী থাকাকালীন শুভেন্দুর ছায়াসঙ্গী চন্দ্রনাথ
সূত্রের খবর, ২০১৯ সাল থেকে শুভেন্দুর ছায়াসঙ্গী হয়ে রয়েছেন এই চন্দ্রনাথ রথ। সেই বছর শুভেন্দু যখন জলসম্পদ মন্ত্রকের দায়িত্ব পান পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেই সময় থেকে তার আপ্ত সহায়ক হিসেবে কাজ করছেন চন্দ্র। ২০২০ সালে শুভেন্দু তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলে তার সঙ্গে সঙ্গে বিজেপিতে চলে যান এই চন্দ্রনাথ রথ। সেই থেকে শুভেন্দু বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন যাবতীয় দায়িত্ব সামলাতেন এই আপ্ত সহায়ক। মনে করা হচ্ছিল যে, শুভেন্দু যদি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হন তাহলে তার আপ্ত সহায়ক হিসেবে নিযুক্ত করা হবে চন্দ্রনাথ রথকে।
বুধবার রাতের ঘটনায় সে সবে পড়ল ইতি। মধ্যমগ্রামের দোহারিয়া এলাকায় স্করপিও গাড়ির মুখোমুখি হয় দুষ্কৃতীরা। অভিযোগ, গাড়ি-স্করপিও আটকে গেলে দুষ্কৃতীরা গাড়ি থেকে নেমে কাঁচ বন্ধ অবস্থায় গুলি চালায়। গাড়ি রেখেই দুষ্কৃতিরা পালায়। একটি বাইক ফলো করছিলো বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সেই বাইকে করেই দুস্কৃতীরা পালায় বলে জানা যাচ্ছে। তবে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে এবং ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


