CM Suvendu Adhikari: প্রতিশ্রুতি রাখছেন পশ্চিমবঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রী। দুর্নীতিমুক্ত বাংলা গড়ার লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে রাজ্য সরকার। শুরু হয়ে গেছে পুলিশ এবং সেন্ট্রাল এজেন্সির তল্লাশি অভিযান। সে প্রাক্তন মন্ত্রী হোক কিংবা কোনও নেতা, কাউকে রেয়াত করা হচ্ছে না। অভিযোগ থাকলেই সোজা গ্রেফতার।
CM Suvendu Adhikari: যেমন কথা, তেমন কাজ। মসনদে বসেই একের পর এক দুর্নীতির বিরুদ্ধে অ্যাকশন। রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। গত ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনকে কার্যত, প্রত্যাখান করেছে বাংলার মানুষ। পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আর সেই বিজেপি সরকারের নতুন মুখ্যমন্ত্রী (cm west bengal) হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই রীতিমতো চালিয়ে ব্যাটিং করছেন শুভেন্দু অধিকারী (cm suvendu adhikari)।

চালিয়ে ব্যাটিং শুভেন্দুর!
প্রতিশ্রুতি রাখছেন পশ্চিমবঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রী। দুর্নীতিমুক্ত বাংলা গড়ার লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে রাজ্য সরকার। শুরু হয়ে গেছে পুলিশ এবং সেন্ট্রাল এজেন্সির তল্লাশি অভিযান। সে প্রাক্তন মন্ত্রী হোক কিংবা কোনও নেতা, কাউকে রেয়াত করা হচ্ছে না। অভিযোগ থাকলেই সোজা গ্রেফতার। তথ্য বলছে, সরকার গঠনের মাত্র ১১ দিনের মধ্যেই দুর্নীতি সহ একাধিক মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে মোট ১৩ জন হেভিওয়েটকে।
সেই তালিকায় রয়েছেন দেবরাজ চক্রবর্তী। যাকে ১৯ মে, গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি রাজারহাট-গোপালপুরের প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সির স্বামী। সেইসঙ্গে, তৃণমূল সাংসদ তথা দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এই নেতা। ভোট পরবর্তী হিংসা, খুন এবং দুর্নীতি সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে দেবরাজের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই বেপাত্তা ছিলেন এই তৃণমূল নেতা। কিন্তু মঙ্গলবার, গোপন ডেরা থেকে তাঁকে তুলে নেয় পুলিশ।
এবার আসা যাক, আরেক রত্নের কথায়। ১৮ মে, সোনা-পাপ্পুকে জমি দুর্নীতি এবং প্রতারণা সহ একাধিক মামলায় গ্রেফতার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে গোলপার্কের কাকুলিয়া বোমা ও গুলি কাণ্ডেরও অভিযোগ রয়েছে। গত সোমবার সকালে, সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে হটাৎ হাজির হন সোনা-পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। দীর্ঘ জেরার পর, রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ঐ একইদিনে আবার গ্রেফতার হন আসানসোলের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি রাজু আলুওয়ালিয়া। তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি সহ একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল।
নতুন সরকার তৈরির ১১ দিনের মধ্যেই গ্রেফতার ১৩ হেভিওয়েট অভিযুক্ত
এছাড়া ১৭ মে, গ্রেফতার করা হয় আরও পাঁচজনকে। তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে নদিয়ার কৃষ্ণনগর-১ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ স্মরজিৎ বিশ্বাসকে, টাকার বিনিময়ে বিল্ডিং প্ল্যান পাশ করিয়ে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগে গ্রেফতার হন দিনহাটার প্রাক্তন পুরপ্রধান গৌরীশঙ্কর মাহেশ্বরী এবং পুরকর্মী মৌমিতা ভট্টাচার্য। এছাড়াও পুলিশের জালে আরও ২ জন ধরা পড়েছে বলে খবর। সবাই তৃণমূলের সঙ্গে জড়িত।
অন্যদিকে, সোনা-পাপ্পু মামলায় গ্রেফতার হন কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের। গত ১৪ মে, ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। এরপর ম্যারাথন জেরা করে তাঁকে রাতে গ্রেফতার করা হয়।
পাশাপাশি মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের বাসিন্দা শান্তনু মজুমদার তথা তৃণমূল কাউন্সিলরকে তোলাবাজির অভিযোগে ১৩ মে, গ্রেফতার করে পুলিশ। ঐ একইদিনে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আরও ২ জনকে গ্রেফতার করে সিবিআই।
এবার আসা যাক প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর কথায়। পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত ১১ মে, তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


