মিঠু সাহা, শিলিগুড়ি-শিলিগুড়ি অডিওকাণ্ডে প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। যে ব্যক্তি দালাল সেজে পাশ মার্কের জন্য টাকার দাবি করেছিলেন, তিনি আসলে একজন অধ্য়াপক। দশ হাজার টাকা দিলেই ছাত্রীকে পাশ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন ওই অধ্যাপক। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শিলিগুড়ি কলেজের ওই অধ্য়াপক।

প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, ছাত্রীর সঙ্গে কথা বলা পুরুষ কণ্ঠস্বরের ভিত্তিতে ওই অধ্য়াপককে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি শিলিগুড়ি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিবাগের অধ্য়াপক অমিতাভ কাঞ্জিলাল। অন্যদিকে, অনুমানের ভিত্তিতে এই দাবি করেছেন শিলিগুড়ি কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। শিক্ষা ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পুলিশের দ্বারস্থ হতে চলেছে তাঁরা। শুধু তাই নয়, অধ্য়াপকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার আশ্বাস দিয়েছে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্য়ালয় কর্তৃপক্ষ।

ফেসবুক পোস্ট হওয়ায় একটি অডিও ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছিল শিলিগুড়ির শিক্ষামহলে। ফোনে ছাত্রীকে পুরুষ কণ্ঠ ব্যক্তি ইংরেজি ও হিন্দি কথোপকথনে জানান, পাশ মার্ক পেতে হলে টাকা লাগবে। পার্ট-ওয়ান ও পার্ট-টু মিলিয়ে লাগবে দশ হাজার টাকা। এই বিতর্কিত অডিও ক্লিপ ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়। কড়া সমালোচনা করে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন-'১০ হাজার টাকা দিলেই পাস মার্ক', ভাইরাল অডিও ক্লিপ ঘিরে চাঞ্চল্য শিলিগুড়িতে

ছাত্রীর সঙ্গে কথা বলা পুরুষ কণ্ঠস্বর থেকেই প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। শিলিগুড়ি কলেজের অধ্য়াপক সুজিত ঘোষ বলেন, ''কণ্ঠস্বর শুনে আমাদের প্রাথমিক অনুমান রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্য়াপক অমিতাভ কাঞ্জিলালের। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। কোনও কিছু বলার ভাষা আমার নেই। এক অধ্য়াপকের জন্য এক সনামধন্য কলেজ আজ কালিমালিপ্ত। বিষয়টিকে নিয়ে পরিচালন সমিতিতে আমরা আলোচনা করব''। অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে আমরা পুলিশের দ্বারস্থ হব বলে জানিয়েছেন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্য়ালয়ের উপাচার্য সুবীরেশ ভট্টাচার্য।

"