Uttar Dinajpur News:  চুরি করেছে! শুধুমাত্র সেই সন্দেহে চারজন শিশুকে আটকে রেখে বেল্ট দিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Uttar Dinajpur News: ডালখোলায় বর্বরতা! চুরির অপবাদে ৪ শিশুকে বেল্টপেটা বিজেপি নেতার। চুরির অপবাদ দিয়ে চার শিশুকে বেল্ট দিয়ে নৃশংসভাবে মারধরের অভিযোগ উঠল এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে। উত্তর দিনাজপুর জেলার ডালখোলা এলাকার এই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায় (ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি এশিয়ানেট নিউজ বাংলা)। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। অভিযুক্ত বিজেপি নেতার নাম অর্জুন সরকার। অভিযোগ, চুরির সন্দেহে চার শিশুকে আটকে রেখে তিনি বেল্ট দিয়ে নির্মমভাবে মারধর করেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতনের অভিযোগ

শিশুদের কান্নাকাটি ও আর্তনাদের সেই ভিডিয়ো দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদমাধ্যম, তবে এটি ভাইরাল হতেই জনরোষ আছড়ে পড়ে অভিযুক্তের ওপর। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁরা অভিযুক্ত অর্জুন সরকারকে ধরে ফেলে বেধড়ক মারধর করেন। এক সময় পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের আকার নেয়। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই চার শিশু রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

তাদের আঘাত যথেষ্ট গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। আইনের চোখে সবাই সমান। শিশুদের ওপর হামলা হোক বা অভিযুক্তকে মারধর—আইন হাতে তুলে নিলে কাউকেই রেয়াত করা হবে না। ভিডিও ফুটেজ দেখে দোষীদের চিহ্নিত করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, চড়া সুদে টাকা ধার নিয়ে শোধ করতে না পেরে ধার দেওয়া ব্যক্তিকে খুন করে পালিয়ে যাওয়া দুই ভাইকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করল আমডাঙা থানার পুলিশ। চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি আমডাঙা থানার রামপুর এলাকায় বিকালবেলা বছর পঁচিশের জাহিরুল ইসলামের দেহ উদ্ধার হয়। শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। তদন্ত শুরু করে পুলিশ জানতে পারে স্থানীয় রবিউল ইসলাম ও তার ভাই ওভিদুল ইসলাম টাকা ধার নিয়েছিল এবং শোধ দেওয়া নিয়ে বিবাদ হয়েছে জাহিরুলের সঙ্গে। জাহিরুল চড়া সুদে টাকা ধার দিত। 

ধার নেওয়া টাকার সঙ্গে সুদ এত বেশি হয়ে গেছিল যে জাহিরুল হুমকি দিচ্ছিল জমি বাড়ি লিখে নেওয়ার। টাকা সব দেওয়ার নাম করে ডেকে নিয়ে এসে ছুরি দিয়ে আঘাত করে খুন করেছে তাকে। জাহিরুলের বাইক দেগঙ্গাতে নিয়ে গিয়ে ফেলে দেয়। অভিরুল যে মূল অভিযুক্ত যে এখান থেকে কাজের নাম করে মুম্বাই ব্যান্দ্র ইস্টে লুকিয়ে ছিল। মোবাইল ট্রাক করে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুরনো ক্রিমিনাল রেকর্ড না থাকলেও এত নিখুঁত ভাবে কিভাবে প্ল্যান বানালো তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।