Durga Puja 2026: ষাট বছরের দুর্গোৎসব। আলোর রোশনাই, পুজোর আনন্দ আর উৎসবের আবহে এ বার মানবিক উদ্যোগের নজির গড়ল মধ্যমগ্রাম এলআইসি টাউনশিপ সর্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটি। উৎসবের আনন্দ সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার এই উদ্যোগে উঠে এল সম্প্রীতি ও মানবিকতার বার্তা।

Durga Puja 2026: ষাট বছরের দুর্গোৎসব। আলোর রোশনাই, পুজোর আনন্দ আর উৎসবের আবহে এ বার মানবিক উদ্যোগের নজির গড়ল মধ্যমগ্রাম এলআইসি টাউনশিপ সর্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটি। পুজোর ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে মহাসপ্তমীতে ৭০ জন বিশেষ ভাবে সক্ষম মানষদের জন্য আয়োজন করা হল বিশেষ মধ্যাহ্নভোজ। উৎসবের আনন্দ সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার এই উদ্যোগে উঠে এল সম্প্রীতি ও মানবিকতার বার্তা।

বিশেষভাবে সক্ষমদের পাশে দাঁড়িয়ে বড় বার্তা

এ বছর ৬০ বছরে পা দিয়েছে এলআইসি টাউনশিপের দুর্গাপুজো। এই বিশেষ বর্ষের পুজোর উদ্বোধন করেন রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের স্বামী মুরলীধরানন্দজী মহারাজ। শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ ও স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শে মানবসেবার গুরুত্বের কথা উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে। পুজোর আনন্দের পাশাপাশি সমাজের বিশেষ ভাবে সক্ষম মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগকে প্রশংসনীয় বলেও মনে করেন তিনি।

মহাসপ্তমীর দুপুরে বিশেষ মধ্যাহ্নভোজ

মহাসপ্তমীর দুপুরে পুজো মণ্ডপে উপস্থিত হন ৭০ জন বিশেষ ভাবে সক্ষম মানুষ। তাঁদের আন্তরিক ভাবে স্বাগত জানান পুজো কমিটির সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকেরা। আয়োজন করা হয় মধ্যাহ্নভোজের। পুজোর আবহে একসঙ্গে বসে খাওয়াদাওয়া, আলাপচারিতা আর আন্তরিক আপ্যায়নে উৎসবের আনন্দ যেন আরও একটু অন্য মাত্রা পায়।

কী বলছেন আয়োজকরা

পুজো মানেই শুধু মণ্ডপসজ্জা, আলোকসজ্জা কিংবা দর্শনার্থীদের ভিড় নয়, উৎসবের আনন্দ সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়াও যে সমান জরুরি, সেই বার্তাই দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা। তাঁদের মতে, সমাজের কোনও অংশের মানুষই যেন উৎসবের আনন্দ থেকে দূরে না থাকেন। ষাট বছরের উদ্‌যাপনকে স্মরণীয় করে রাখতে তাই মানবিক উদ্যোগকেই বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পুজো কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, ষাট বছর পূর্তিতে তাঁদের লক্ষ্য ছিল উৎসবের আনন্দ আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। দেবী দুর্গার আরাধনার পাশাপাশি মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং পারস্পরিক সম্প্রীতির পরিবেশ গড়ে তোলাও এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য। আড়ম্বরের সঙ্গে মানবিকতার এই মেলবন্ধন মধ্যমগ্রাম এলআইসি টাউনশিপের দুর্গোৎসবকে দিল এক আলাদা পরিচিতি। ষাট বছরের ঐতিহ্যের সঙ্গে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার এই উদ্যোগ উৎসবের আনন্দকে আরও অর্থবহ করে তুলল।