ED IPAC Case: প্রসঙ্গত, ২ এপ্রিল দিল্লিতে চান্দেলের ফ্ল্যাট ছাড়াও বেঙ্গালুরুতে আইপ্যাকের আরও একজন সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং ডিরেক্টর ঋষি রাজ সিংহের ফ্ল্যাট এবং মুম্বইতে আম আদমি পার্টির প্রাক্তন কমিউনিকেশন হেড বিজয় নায়ারের বাড়িতেও তল্লাশি চালায় ইডি।
ED IPAC Case: বিধানসভা নির্বাচনের আগেই সক্রিয় ইডি।কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্তে ফের আইপ্যাক কর্তার ঠিকানায় হানা দিল কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তথা ইডি (ed ipac case in supreme court)। এবার অবশ্য তাদের নিশানায় সংস্থাটির অন্যতম ডিরেক্টর এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চান্দেল। তাঁকে সোমবার রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে (ed supreme court hearing)।
গ্রেফতার সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চান্দেল
ইডির সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা পিটিআই বলছে, দিল্লিতে বেআইনি আর্থিক লেনদেন প্রতিরোধ আইনের আওতায় চান্দেলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ২ এপ্রিল দিল্লিতে চান্দেলের ফ্ল্যাট ছাড়াও বেঙ্গালুরুতে আইপ্যাকের আরও একজন সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং ডিরেক্টর ঋষি রাজ সিংহের ফ্ল্যাট এবং মুম্বইতে আম আদমি পার্টির প্রাক্তন কমিউনিকেশন হেড বিজয় নায়ারের বাড়িতেও তল্লাশি চালায় ইডি।
এবার সেই তদন্তের সূত্র ধরেই এই গ্রেফতার। উল্লেখ্য, ৮ জানুয়ারি এই মামলার সঙ্গে যুক্ত হয়ে ফেডারেল তদন্ত সংস্থা আইপ্যাকের সদর দফতর এবং সংস্থার আরও এক প্রতিষ্ঠাতা-ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের কলকাতার বাসভবনে তল্লাশি চালায়। যদিও সেই অভিযান চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সরকারের আধিকারিকদেরকে সঙ্গে নিয়ে প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং সদর দফতরে ঢুকে পড়ায় অন্য বিতর্ক তৈরি হয়।
আবগারি দুর্নীতির টাকা পাচারের সঙ্গেও যুক্ত?
এক্ষেত্রে বলা রাখা ভালো, ইডির এই মামলা কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআই-এর করা ২০২০ সালের নভেম্বর মাসের একটি এফআইআর-এর সঙ্গে সম্পর্তিত। সেই এফআইআর-এ পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলের আশেপাশের কুনুস্টোরিয়া এবং কাজোড়া এলাকায় ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেডের খনির সঙ্গে যুক্ত কোটি কোটি টাকার কয়লা চুরির কেলেঙ্কারির অভিযোগ আনা হয়েছে।
কয়লা চুরি থেকে আসা প্রায় ২০ কোটি টাকার হাওয়ালা ফান্ড আইপ্যাকের কাছে পৌঁছেছিল বলেও ইডির তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে। ইডি সূত্রে আরও জানা গেছে, ওই হাওয়ালা তহবিল যে সংস্থার মাধ্যমে আইপ্যাকের কাছে এসে পৌঁছয়, সেই সংস্থাটি দিল্লির আবগারি দুর্নীতির টাকা পাচারের সঙ্গেও আবার যুক্ত রয়েছে।
এই প্রসঙ্গে ইডি একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, কয়লা পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত একটি হাওলা অপারেটর আই-প্যাকের সংযুক্ত সংস্থা ইন্ডিয়ান পিএসি কনসাল্টিং প্রাইভেট লিমিটেডে কয়েক কোটি টাকার বেআইনি লেনদেনকে তখন আরও সহজ করে দিয়েছিল।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

