তৃণমূল কংগ্রেসের থেকে আরও একটু দূরত্ব বাড়ালেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত জেলা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন। দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সির কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন বারাসতের সাংসদ কাকলি।
এবার তৃণমূল কংগ্রেসের থেকে আরও একটু দূরত্ব বাড়ালেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত জেলা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন। দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সির কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন বারাসতের সাংসদ কাকলি। একই সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের দীর্ঘ দিনের সঙ্গী কাকলি তৃণমূল নেত্রীর কাছে দাবি করেছেন, 'ভুঁইফোড় সংস্থা'র পরিবর্তে দলের নিষ্ঠাবান কর্মীদের নিয়ে চলার জন্য

কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ইস্তফা
কাকলি ঘোষ দস্তিদার ইস্তফা পত্রে লিখেছেন, 'নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের কাছে আমার আবেদন আপনি বিগত দিনের মতো নিষ্ঠাবান কর্মীদের নিয়ে কাজ করলে দলের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে মনে হয়। ভুঁইফোঁড় সংস্থা দিয়ে কঠিন কাজ হয় বলে মনে হয় না।' কাকলি আরও লিখেছেন, 'পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রতিক সময় অপরাধ ও দুর্নীতির কিছু উদ্বেগজনক ঘটনা সাধারণ মানুষের মনে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন ও আশঙ্কার সৃষ্টি করেছে। গণতন্ত্রকে আরও মারাত্মক শক্তিশালী করতে হলে রাজনীতিতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, দায়বদ্ধতা, শিষ্টাচার এবং মানুষের প্রতি দায়িত্ব ও মূল্যবোধকে আরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।'
চিঠিতে কাকলি আরও বলেছেন, বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর এলাকায় ফল আশানুরূপ হয়নি। এই নৈতিকতার দায় নিজের ওপর নিয়েই তিনি পদত্যাগ করছেন।
এর আগেই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে তৃণমূলের মুখ্যসচেতকের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর স্থানে আনা হয়েছিল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে। যা নিয়ে কাকলি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন,'৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪ থেকে পথ চলা শুরু। চার দশকের আনুগত্য়ের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।' এই ঘটনার মাত্র ৯ দিনের মাথাতেই বারাসত জেলা সভাপতির পদত্যাগ করলেন। যা নিয়ে তৃণমূলের অন্দরেই আলোচনা শুরু হয়েছে।


