ED Raid: তাঁর সংস্থা সোনা পাপ্পু স্ত্রীর নামে একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং গুলি কেনে, সেই তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা। তার উপর আবার সোনা পাপ্পু এবং তাঁর স্ত্রীর নামে থাকা সংস্থার সঙ্গে কোটি টাকার উপর লেনদেনের নথি পেয়েছেন গোয়েন্দারা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, জয়ের বিরুদ্ধে ১১০০ কোটি টাকা অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।
ED Raid: ১১০০ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন? এমনই অভিযোগ সামনে আসছে বেহালার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারের বিরুদ্ধে (jay s kamdar raid news)। সোমবার, ধৃত ব্যবসায়ীকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে হাজির করানোর আগে এমনটাই দাবি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তথা ইডির। প্রসঙ্গত, বেআইনি ভাবে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগে জয়কে গ্রেফতার করে ইডি। দিনটা ছিল রবিবার। সান এন্টারপ্রাইজ় নামে সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টরের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে (ed raid in kolkata news)।
জয়ের বিরুদ্ধে ১১০০ কোটি টাকা অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে
তাঁর সংস্থা সোনা পাপ্পু স্ত্রীর নামে একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং গুলি কেনে, সেই তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা। তার উপর আবার সোনা পাপ্পু এবং তাঁর স্ত্রীর নামে থাকা সংস্থার সঙ্গে কোটি টাকার উপর লেনদেনের নথি পেয়েছেন গোয়েন্দারা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, জয়ের বিরুদ্ধে ১১০০ কোটি টাকা অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।
ইডি সূত্রে জানা গেছে, বাজেয়াপ্ত ডিজিটাল ডিভাইস থেকে ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। ক্যালকাটা গুজরাতি এডুকেশন সোসাইটির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে জয় কামদারের ভুয়ো কোম্পানিতে ৪০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে বলে খবর।
পাশাপাশি ধৃত ব্যবসায়ীর বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে জানা গেছে, সম্প্রতি ১১০০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। তার মধ্যে মাত্র চার মাসের মধ্যেই ৫০০ কোটি টাকা নগদ জমা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই জয়ের সঙ্গে সম্পর্ক থাকা ২৫টি ভুয়ো সংস্থার সন্ধান পেয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা।
গোয়েন্দাদের হাতে বিস্ফোরক তথ্য
আপাতত ধৃত ব্যবসায়ীকে হেফাজতে চেয়ে আদালতে হাজির করেছে ইডি। তাদের আইনজীবী জানিয়েছেন, ‘‘তদন্তে অনেক তথ্যপ্রমাণ মিলেছে। অন্যান্য সন্দেহভাজনের সঙ্গে এই অভিযুক্তের যোগাযোগ রয়েছে রয়েছে।’’
সুপ্রিম ক্রেডিট কর্পোরেশন লিমিটেড নামে একটি সংস্থার সন্ধান পেয়েছে ইডি। তার অন্যতম ডিরেক্টরের নাম হল জয়। এসপি কনস্ট্রাকশন নামে আর একটি সংস্থার মালিকানা রয়েছে সোনা পাপ্পুর নামে। এইসব কোম্পানিগুলির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে জানা যাচ্ছে, জয় এবং সোনা পাপ্পুদের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


