ED Raid Madan Mitra: কেন্দ্রীয় সংস্থা সূত্রে জানা যাচ্ছে, মদন মিত্রর বিরুদ্ধে একাধিক পুরসভায় বেআইনি ভাবে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসছে। তিনি ঘুষও নিয়েছেন বলে খবর। সেই তদন্তেই শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান।

ED Raid Madan Mitra: পুরসভা দুর্নীতিতে বিস্ফোরক অভিযোগ ইডির (madan mitra news today)। প্রসঙ্গত, শনিবার সকাল থেকেই কলকাতা এবং শহরতলির মোট ৭টি জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি ইডি। কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়ি এবং দফতরও সেই তালিকায় রয়েছে (ed raid madan mitra kolkata)। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

১২৫ টিরও বেশি বেআইনি চাকরি দিয়েছেন মদন?

কেন্দ্রীয় সংস্থা সূত্রে জানা যাচ্ছে, মদন মিত্রর বিরুদ্ধে একাধিক পুরসভায় বেআইনি ভাবে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসছে। তিনি ঘুষও নিয়েছেন বলে খবর। সেই তদন্তেই শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান। 

জানা যাচ্ছে, কামারহাটি সহ একাধিক পুরসভার বিভিন্ন পদে বেআইনিভাবে অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ করার বন্দোবস্ত করে দেন তৃণমূল নেতা মদন মিত্র। এমনকি, তার পরিবর্তে ঘুষও নেন বলে ইডি সূত্রে দাবি করা হয়েছে। কখনও নগদ টাকা, কখনও আবার সোনা! নানারকমভাবে ঘুষ নিয়েছেন মদন।

ঘুষ হিসাবে সোনা! পুরসভা দুর্নীতিতে বিস্ফোরক অভিযোগ ইডির

তবে মদন সরাসরি এই ঘুষ নেননি বলেই মনে করছেন ইডি আধিকারিকরা। এক্ষেত্রে তদন্তকারীরা মনে করছেন, কোনও মিডলম্যান মারফত সেই ঘুষ পৌঁছে যেত মদনের কাছে। ফলে, সেইসব মিডলম্যানদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। 

ইতিমধ্যেই ইডি জানতে পেরেছে যে, পুরসভায় ১২৫টিরও বেশি বেআইনি চাকরি দিয়েছেন মদন মিত্র। কার্যত, এইসব ভুয়ো নিয়োগের সঙ্গে সরাসরি যোগ রয়েছে মদন মিত্রর। শনিবার সকালে, ভবানীপুরে মদন মিত্রর বাড়ি এবং পার্টি অফিসে তল্লাশি চালানো হয়েছে। পাশাপাশি জোকা, বেলেঘাটা, বেহালা, কামারহা়টি এবং দক্ষিণেশ্বরেও ইডির গোয়েন্দারা পৌঁছে গেছেন। 

সূত্রের খবর, শুধু কামারহাটি পুরসভা নয়! অন্যান্য একাধিক পুরসভাতেও বেআইনি নিয়োগের ক্ষেত্রে এই তৃণমূল নেতার ভূমিকা আতশ কাচের তলায় রয়েছে। গত ২০১১ সালে, তিনি প্রথমবারের জন্য কামারহাটির বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হন। তারপর ২০২১ এবং ২০২৬ সালে, এই কেন্দ্র থেকেই জয়লাভ করেন। ফলে, কামারহাটি বিধানসভার নানা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর বেশ ভালো প্রভাব রয়েছে। 

এবার সেই প্রভাব খাটিয়েই বেআইনি নিয়োগেের ক্ষেত্রে তিনি বড় ভূমিকা নিয়েছেন কিনা, সেই বিষয়টিই খতিয়ে দেখছেন ইডি আধিকারিকরা।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।